রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার ১০ এবং পায়রা ও মোংলা সমুন্দ্রবন্দরে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত : আজ আঘাত হানবে ঘূর্ণিঘড় মোরা

  • আপলোড তারিখঃ ২৯-০৫-২০১৭ ইং
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার ১০ এবং পায়রা ও মোংলা সমুন্দ্রবন্দরে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত : আজ আঘাত হানবে ঘূর্ণিঘড় মোরা
সমীকরণ ডেস্ক: ঘূর্ণিঘড় ‘মোরা’র কারণে দেশের উপকূলজুড়ে মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুন্দ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং পায়রা ও মোংলা সমুন্দ্রবন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১২ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এতে আরো বলা হয়েছে, এই ঘূর্ণিঝড় আজ মঙ্গলবার সকাল নাগাদ আঘাত হানতে পারে। তবে, ঠিক কখন আঘাত হানবে সেই সময় জানাতে পারেননি আবহাওয়াবিদরা। গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকা আবহাওয়া অধিদপ্তর কার্যালয়ের আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস সাংবাদিকদের জানান, এ ব্যাপারে সময় দেওয়া যাবে না। কারণ, কারণ, বাতাসের গতিবেগ কখন কত থাকবে, কোন দিকে যাবে এটা অনুমান করা যায়, নিশ্চিত করে বলা যায় না। যে কারণে আমরা শুধু বলছি, কাল সকালে আঘাত হানবে। তবে ঘূর্ণিঝড়টি আরো কাছে আসলে হয়তো একটা সময় দেওয়া যাবে। আমরা বুলেটিনে তা জানিয়ে দেব, যোগ করেন রুহুল কুদ্দুস। বিকেলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১২ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং এর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং এর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৮ (আট) নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র প্রভাবে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে চার-পাঁচ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। এরই মধ্যে উপকূল থেকে অধিবাসী ও গবাদি পশু সরানোর কাজ শুরু করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।  ঘূর্ণিঝড় মোরা’র অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬২ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের পার্শ্ববর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।


কমেন্ট বক্স
notebook

৮ মাসের সংসার শেষে লাশ হয়ে ফিরলো রুমি