এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, দেশে সেই পুরোনো বন্দোবস্তে ফিরে গেছে। আগে যেমন ছাত্রলীগ হামলা করে উল্টো ছাত্রদলের নামে মামলা করতো, গুম করে সেই পরিবারের ওপর নির্যাতন করতো, এখন আমরা সেই পুরানো চিত্র বিএনপির মধ্যে দেখছি। ঝিনাইদহে নাসির উদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ও এনসিপির নেতৃবৃন্দকে মারধর করা হলো, তাদের রক্ত ঝরলো। আবার উল্টো তাদের নামে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হলো। যুবশক্তির নেতা অয়নকে কয়েক ঘণ্টা গুম রাখার পর আদালতে তোলা হলো। এনসিপির নেতা আশিককে রিমান্ডে নেওয়া হলো। এতে এখন বোঝা যাচ্ছে ফ্যাসিস্ট হাসিনার মতো দেশের আইন, বিচার ও শাসন বিভাগ গণভবন থেকে পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, দেশের সর্বত্রই এখন আমি, আমরা ও মামুদের ভাগবাটোয়ারা চলছে। বাংলাদেশ ব্যাংক, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, সচিবালয়, পুলিশ, বন্দর, থানা, কোর্ট কাচারি ও হাট বাজার দখল করা হচ্ছে। সরকার ও রাষ্ট্র এখন চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের হাতে বন্দি। গতকাল সোমবার বিকেলে হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি ঝিনাইদহ পায়রা চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
এনসিপির নেতৃবৃন্দের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা তারেক রেজা, সাইফ মোস্তাফিজ, রিফাত রশিদ, জায়েদ হাসান ও ইয়াসির আরাফাত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলন শেষে হাসনাত আবদুল্লাহ এমপির নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল ঝিনাইদহ শহর প্রদক্ষিণ করে।
বর্তমান সরকার এস আলমের সরকার দাবি করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সরকারকে জনগণের কাছ থেকে হাইজ্যাক করে নিয়ে গেছে চিটাগাং কোটা ও কক্সবাজার কোটা। ফলে দেশের মানুষ অর্থমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাওয়ার স্ট্রাগলের বলি হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে ফিরে বলেছিলেন ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’। এখন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্রিকেট বোর্ড আর আইন, বিচার ও শাসন বিভাগ দলীয়করণ ও কুক্ষিগত করা সেই প্ল্যানের অংশ কি না, তা জানতে চাই।
ঝিনাইদহ অফিস