ডাক্তার সোজাসাপ্টা জানিয়ে দিলেন, ক্লিনিকে নেন
- আপলোড তারিখঃ
১০-০৬-২০১৯
ইং
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল, যেখানে প্রতিনিয়তই চিকিৎসা নেয় শত শত রোগী। হাসাতালের চক্ষু ও পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডসহ মোট নয়টি ওয়ার্ডে এবং বহির্বিভাগে ডাক্তারেরা নিষ্ঠার সঙ্গে প্রতিনিয়ত চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। তবে এবার হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি অন্তঃসত্ত্বা রিভা (২৪) নামক এক প্রসূতিকে হাসপাতালে চিকিৎসা হবে না বলে সোজাসাপ্টা জানিয়ে দিয়ে বাইরের ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে বলে সমালোচনার মধ্যে পড়েছেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের গাইনী কনসালটেন্ট ডা. আকলিমা খাতুন। হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে গত শনিবার চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল-সংলগ্ন দেশ ক্লিনিকে রিভা সিজারিয়ান পদ্ধতির মাধ্যমে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার দুপুর দুইটার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি হন চুয়াডাঙ্গা ফার্মপাড়ার রিপন আলীর মেয়ে ও আব্দুর রহমানের স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা রিভা খাতুন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ওই দিন রাতে গাইনি ওয়ার্ডে রাউন্ডে আসেন হাসপাতালের গাইনী কনসালটেন্ট ডা. আকলিমা খাতুন। অন্তঃসত্ত্বা রিভাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখার পর তিনি এ রোগীর চিকিৎসা হবে না বলে জানান এবং আশপাশের কোনো একটা ক্লিনিকে নিয়ে রিভার চিকিৎসা করানোর কথা বলেন। পরদিন শনিবার সকালে পুনরায় গাইনি ওয়ার্ডে রাউন্ডে আসেন ডা. আকলিমা খাতুন এবং রিভাকে সেখানে দেখে অনত্র না নেয়ায় বিরক্ত বোধ করেন তিনি। আবারও তিনি রিভাকে ক্লিনিকে নিতে বলেন। পরবর্তীতে নিরুপায় হয়ে মেয়ের সিজারের জন্য রিপন আলী প্রয়োজনীয় অর্থ যোগার করে হাসপাতাল-সংলগ্ন দেশ ক্লিনিকে মেয়েকে ভর্তি করান। দুপুর একটা দিকে দেশ ক্লিনিকে রিভা সিজারিয়ান পদ্ধতির মাধ্যমে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. খায়রুল আলম বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি, আজ (গতকাল) প্রতিদিনের মিটিংয়ে ডা. আকলিমা খাতুনকে মৌখিকভাবে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো রোগীর জরুরি অপারেশনের প্রয়োজন হলে অবশ্যই যেন আমাকে জানানো হয়।’
এ অভিযোগের বিষয়ে গাইনী কনসালটেন্ট ডা. আকলিমা খাতুনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
কমেন্ট বক্স