দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সীমানার ভেতর থেকে ১০টি মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গাতিরপাড়া গ্রামের আমজাদ আলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার জয়রামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুনছুর আলী বাদী হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জয়রামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের পাশে ১১টি মেহগনি গাছ ছিল। ঈদুল আজহার ছুটির সময়ে বিদ্যালয়ের জমিতে থাকা ১০টি পরিপক্ক মেহগনি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হয়। গাছগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা বলে দাবি করা হয়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ছুটিকালীন সময়ে নৈশপ্রহরী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মো. ছানোয়ার হোসেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের পাশেই গাতিরপাড়া গ্রামের রমজান আলীর ছেলে আমজাদ আলীর জমি রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, মেয়ের আসবাবপত্র তৈরির জন্য তিনি গাছগুলো কেটে নিয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আমজাদ আলী বলেন, ‘জমিটি আমার। আমি নিজেই গাছগুলো লাগিয়েছি। তাই আমার গাছ আমি কেটেছি। এগুলো স্কুলের গাছ নয়।’ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সদস্য হুমায়ুন কবির ডাবলু বলেন, ‘একাধিকবার জমি মাপজোক করা হয়েছে। গাছগুলো বিদ্যালয়ের সীমানার মধ্যেই ছিল। আমরা জানি, গাছগুলো বিদ্যালয়ের সম্পত্তি। এখন শুনছি সেগুলো কেটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’
জয়রামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুনছুর আলী বলেন, ‘আমি সাত মাস আগে এখানে যোগদান করেছি। যোগদানের পর থেকেই শুনে আসছি গাছগুলো বিদ্যালয়ের। বিদ্যালয়ের পুরোনো শিক্ষক ও রেজুলেশন খাতার তথ্য অনুযায়ী গাছগুলো স্কুলের জমির মধ্যে রয়েছে। তাহলে অন্য কেউ কীভাবে গাছ কাটতে পারে? বিষয়টির তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
প্রতিবেদক দামুড়হুদা