কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, মাঝারি ও ক্ষুদ্র কৃষকরা সরকারের দেয়া এই কার্ড পাবেন। পর্যায়ক্রমে সারা দেশের কৃষকদের এই কার্ড প্রদান করা হবে। গত মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর গ্রামে কৃষক কার্ড বিতরণ শেষে গণমাধ্যম কর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার শপথ নেয়ার পর থেকে নির্বাচনী প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পালন করে যাচ্ছে। কৃষকদের ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণ মওকুফ করেছে সরকার। আজ কৃষক কার্ড বিতরণ করা হলো। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে সরকার একের পর এক কাজ করে চলেছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, সংসদে বিরোধী দলের কণ্ঠ রোধ করা হচ্ছে বলে বিরোধী দল জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অভিযোগ করেছেন। কিন্তু আমরা বলতে চাই, সংসদে বিরোধী দলের সদস্যদের বরাদ্দের চেয়ে বেশি সময় দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে বেলা দেড়টার দিকে শৈলকুপার আবাইপুর ইউনিয়নের কৃপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কৃষক কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে কৃষক কার্ডধারী ১৬৭৯ জন উপকারভোগী কৃষক সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের কৃপালপুর ব্লকের কৃষকরা পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রথম ধাপে কৃষক কার্ড পাচ্ছেন।
ঝিনাইদহ অফিস