জীবননগরে খালের কচুরিপানার মধ্যে থেকে শাখাওয়াত হোসেন শিমুল (৪০) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কালা গ্রামে ভৈরব নদের কচুরিপানার ভেতরে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পান। পরে তারা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে থানা পুলিশকে অবহিত করেন। শিমুল জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের ধোপাখালি গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য, সকালে কয়েকজন গ্রামবাসী খালের পাশে কাজ করতে গিয়ে কচুরিপানার মধ্যে অস্বাভাবিক কিছু দেখতে পান। কাছে গিয়ে তারা একটি মরদেহ ভাসতে দেখে নিশ্চিত হন এবং দ্রুত পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাত থেকে আট দিন আগে শিমুল বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। এরপর থেকে স্বজনরা সম্ভাব্য আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি, পরিচিতজনদের কাছে এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে খোঁজ চালানো হলেও কোনো তথ্য মেলেনি।
খবর পেয়ে জীবননগর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান সেখ জানান, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে, মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে।
জীবননগর অফিস