শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি
ইসির চূড়ান্ত ফলে বিএনপি জোট ২১৪ ও জামায়াত জোটের ৭৭ আসন

আজই গেজেট প্রকাশে প্রস্তুতি ইসির

  • আপলোড তারিখঃ ১৪-০২-২০২৬ ইং
আজই গেজেট প্রকাশে প্রস্তুতি ইসির

উৎসবমুখর পরিবেশ ও নজিরবিহীন শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি শুরু করেছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। ইসির অভ্যন্তরীণ সূত্র মতে, কোনো ব্যত্যয় না ঘটলে আজ শনিবারই গেজেট প্রকাশ হতে পারে। নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে বিএনপি এককভাবেই ২১১টি আসনে জয় পেয়েছে। দলটির মিত্র তিনটি দল তিন আসনে জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোট ৭৭টি আসনে জয় পেয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ৬৮টিতে ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি ছয়টিতে জয়ী হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন সাতটি আসনে। এদিকে জুলাই সনদের সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত ৪৮ দফা বাস্তবায়নে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হয়েছে। সংসদ নির্বাচনে ৫৯.৪৪ শতাংশ এবং গণভোটে ৬০.২৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।


নির্বাচনি ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যেই গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। পদ্ধতিগতভাবে রিটার্নিং অফিসারদের কাছ থেকে রেজাল্ট শিট আমাদের কাছে আসার পর আমাদের কাছে থাকা বার্তা শিটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখব। রিটার্নিং অফিসাররা সেসব তথ্য আমাদের কাছে হার্ডকপিতে পাঠাবেন। এসব শেষে তাই আমরা যত তাড়াতাড়ি পারি রেজাল্টগুলোর প্রেক্ষিতে গেজেটের ব্যবস্থা করব। শেষটা কালকের (আজ শনিবার) মধ্যে পাওয়া গেলে, আমাদের দেরি করার যৌক্তিক কোনো কারণ নেই।’ তিনি আরও বলেন, গেজেটগুলো একত্রে প্রকাশ করা হবে। আমাদের সেই প্রস্তুতি আছে। সবকিছু হাতে এলে আমরা কাজ শুরু করব।’ তবে কে সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন, জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, সেটি বলার এক্তিয়ার ইসির নেই।


সরকার গঠন করতে যাওয়া রাজনৈতিক দল বিএনপি এবারের নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগে দলটি আশানুরূপ ফল করতে পারেনি। এই তিন বিভাগে দলটির প্রার্থী মনোনয়ন যথাযথ হয়নি বলে নির্বাচনের আগেই বিশ্লেষকেরা মত দিয়েছিলেন। অন্যদিকে এই তিন বিভাগে ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে থাকা জামায়াত জোটের প্রার্থীরা দেশের বাকি বিভাগগুলোতে পিছিয়ে পড়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুক্তিযুদ্ধে বিতর্কিত অবস্থান, নারীদের বিষয়ে রক্ষণশীল মনোভাব এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে দেশে সংগঠিন নানা ‘মব’-এর সঙ্গে দলটির সম্পৃক্ততার কারণে নির্বাচনে সামগ্রিকভাবে পরাজিত হয়েছে দলটি। এদিকে এই নির্বাচনে এক সময়কার সরকার গঠন করা দল জাতীয় পার্টি একটি আসনেও জিততে পারেনি। অনেক আসনে জামানত হারিয়েছেন হেভিওয়েট প্রার্থীরাও। অনেক হেভিওয়েট প্রার্থী সম্মানজনক ভোট পেলেও শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে জিততে পারেননি। গত বৃহস্পতিবার দেশের ২৯৯টি আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। দেশের কিছু নির্বাচনি এলাকায় প্রার্থীদের নানা অভিযোগ আর বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই এ দুটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়।


গতকাল শুক্রবার বিকালে ইসি ঐ দুই নির্বাচনের এসব ফলাফল প্রকাশ করে। এ নির্বাচনে ৬০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫০টি অংশ নিয়েছে। দলীয় কার্যক্রম স্থগিত থাকায় আওয়ামী লীগ এ নির্বাচনে অংশ নেয়নি। বাংলাদেশে এবারই প্রথম বার সংসদ নির্বাচনের দিনে একই সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারই প্রথম বাংলাদেশে পোস্টাল ভোটও নেওয়া হয়। ইসির ঘোষিত নির্বাচনি ফল অনুযায়ী গণভোটে ভোট দিয়েছেন ৭ কোটি ৬ লাখ ৪০ হাজার ৫৬ জন ভোটার। এর মধ্যে হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে রায় দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন। আর সংস্কার বাস্তবায়নে অসম্মতি জানিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন। একই দিন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হলেও দুটি নির্বাচনে ভোট পড়ার হারে দশমিক ৮২ শতাংশ পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। গণভোট ও সংসদ নির্বাচনে ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভোটার ছিলেন।


ভোটের দিন বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ফলাফল ঘোষণা শুরু করেছে ইসি। নির্বাচন কমিশন প্রাঙ্গণে স্থাপিত ফলাফল প্রকাশ কেন্দ্রে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত সারা রাত এবং শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ফল প্রকাশ করা হয়। সেখানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানসহ দলটির কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘এই নির্বাচনের ফলে জাতি হিসেবে বিশ্ববাজারে মান, সম্মান ও ভাবমূর্তি বাড়বে। এর কারণে দেশে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়বে। অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে। আমরা জনগণ ও সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের নির্মোহভাবে আইন প্রয়োগ করে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন করার অঙ্গীকার ছিল। সরকারের সহযোগিতায় সবার অংশগ্রহণে সেটি সম্ভব হয়েছে। দেশবাসী ঈদ উৎসবের মতোই ভোট দিয়েছে। জাতি হিসেবে আমরা চূড়ান্তভাবে বিজয় অর্জন করেছি।’


নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করে জানান, ঘোষিত ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ও তার মিত্ররা পেয়েছে ২১৪ আসন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য পেয়েছে ৭৭ আসন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি, স্বতন্ত্ররা পেয়েছে সাতটি আসন। বিএনপি একক দল হিসেবে পেয়েছে ২১১টি আসন, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন, জাতীয় নাগরিক পার্টি ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুইটি, খেলাফত মজলিস একটি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি একটি, গণসংহতি আন্দোলন একটি, গণঅধিকার পরিষদ একটি আসন পেয়েছে। চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসনে বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হলেও তাদের গেজেট প্রকাশে আদালতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এর আগে একজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত হয়। এর ফলে ইসি ২৯৭টি আসনের গেজেট প্রকাশ করতে যাচ্ছে।


এদিকে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ফল ঘোষণার পর নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের বলেন, জনগণ আগামী পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব বিএনপি ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর অর্পণ করেছে। আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমকেও ধন্যবাদ জানান। তার ভাষায়, গণমাধ্যমের মাধ্যমে দলের কর্মসূচি ও পরিকল্পনা জনগণের কাছে পৌঁছেছে বলেই এ সমর্থন মিলেছে। নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, শতভাগ সন্তুষ্টি সম্ভব না হলেও অতীতের অনেক নির্বাচনের তুলনায় সহিংসতা কম হয়েছে। দীর্ঘদিনের ভোটার অনাগ্রহ পুরোপুরি কাটেনি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।


পোস্টাল ব্যালটে বিলম্বে চূড়ান্ত ফলে সংকট :
নির্বাচনের ভোট গণনায় একাধিক আসনে চরম সমন্বয়হীনতা ও বিলম্বের ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে পোস্টাল ব্যালট আগে গণনা করে সাধারণ ব্যালটের সঙ্গে যুক্ত না করায় সংকট থেকে হযবরল অবস্থার সৃষ্টি হয়। এমনকি নির্বাচন কমিশন (ইসি) পোস্টাল ব্যালট গণনায় পৃথক প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ করেছিল। বিভিন্ন আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও ইসির সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। ইসি সূত্র জানিয়েছে, অনেক সংসদীয় আসনে সাধারণ ব্যালটের গণনা শেষ হলেও পোস্টাল ব্যালটের গণনা বিলম্বিত হয়। ফলে চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করতে দেরি হয় এবং স্পর্শকাতর কয়েকটি আসনে গুজব, উত্তেজনা ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে গণনা ব্যবস্থায় আরো স্বচ্ছতা, প্রযুক্তিগত সমন্বয় ও সময়সীমা নির্ধারণ জরুরি। অন্যথায় ভোট-পরবর্তী বিভ্রান্তি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।


হেরে গেলেন যেসব হেভিওয়েট প্রার্থী :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় দলের জয় নিশ্চিত হলেও আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে একঝাঁক পরিচিত মুখের পরাজয়। জাতীয় রাজনীতি, টকশো, আন্দোলন কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকার কারণে তাদের ঘিরে আলোচনা ছিল অনেক। কিন্তু মাঠের ভোটের হিসাব বলছে ভিন্ন কথা। অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও হেরে গেছেন অনেকেই। তরুণদের মধ্যে পরিচিত এই মুখ নির্বাচনের আগে আলোচনায় ছিলেন। পঞ্চগড়-১ আসনে এনসিপি নেতা সারজিস আলমকে হারিয়ে বেসরকারিভাবে জয় পেয়েছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। স্বাস্থ্য খাতে সক্রিয়তা ও সামাজিক উপস্থিতি থাকলেও নির্বাচনি মাঠে দলীয় কাঠামো ও স্থানীয় সমীকরণ বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। ঢাকা-৯ আসনে সাবেক এনসিপি নেত্রী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট। এই আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ।


ঢাকার সবচেয়ে বেশি আলোচিত প্রার্থী ছিলেন ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী এনসিপির নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারী। মির্জা আব্বাস আর নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারীর ভোটের প্রচারণার নানা কথা সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এই আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ৫ হাজারের বেশি ভোটে হেরেছেন। বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস। বিপুল ভোটের ব্যবধানে সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির হেরে গেছেন। টেলিভিশন বিতর্ক ও রাজনৈতিক বক্তব্যে সক্রিয় থাকলেও ভোটের মাঠে সাংগঠনিক শক্তির ঘাটতি স্পষ্ট হয় ব্যারিস্টার ফুয়াদের। বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে বেসরকারি ফলাফলে প্রায় ২১ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির আলোচিত প্রার্থী আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া (ব্যারিস্টার ফুয়াদ)।


দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা থাকলেও নিজ আসনে সমীকরণ মেলাতে পারেননি মজিবুর রহমান মঞ্জু। ফেনী-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুকে হারিয়ে জয়লাভ করেছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবদিন। ধর্মভিত্তিক রাজনীতিতে প্রভাবশালী হলেও ভোটের অঙ্কে সেই প্রভাব পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি। ঢাকা-১৩ আসনে (মোহাম্মদপুর-আদাবর-শ্যামলী) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হককে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ববি হাজ্জাজ।


এদিকে দলীয়ভাবে পরিচিত মুখ হলেও আসন ধরে রাখতে ব্যর্থ হন গোলাম পরওয়ার। খুলনা-৫ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার হেরে গেছেন। বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি প্রত্যাশিত ফল করতে পারেননি। কেটলি প্রতীকে ভোট পাওয়ার সংখ্যা মাত্র ৩ হাজার ৪২৬। ফলে তিনি জামানত হারিয়েছেন। ঢাকা-১২ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী সাইফুল আলম। বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী সাইফুল হককে বিপুল ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে জয় পেয়েছেন তিনি। ঢাকা-১৬ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল হককে হারিয়ে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল বাতেন।



কমেন্ট বক্স