মোবাইল ঘাঁটাঘাঁটি করার কারণে মায়ের বকুনি খেয়ে বাড়ি থেকে রাগ করে বের হয়ে যায় ১৪ বছরের কিশোরী নাসিমা। এরপর দুই দিন নিখোঁজ। অবশেষে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে পৌর শহরের ইকো ব্রিকস নামে একটি ইটভাটার পুকুরে ওই কিশোরীর লাশ পাওয়া যায়। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
কিশোরী নাছিমা কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদারপুর গ্রামের মৃত নাজমুল মীরের মেয়ে। করোনায় পিতার মৃত্যুর পর মায়ের সঙ্গে নানা বাড়ি সলেমানপুর গ্রামে থাকতো। কোটচাঁদপুর থানার ওসি আসাদউজ্জামান বৃহস্পতিবার বিকেলে জানান, মাত্রাতিরিক্ত মোবাইল ঘাঁটাঘাঁটি করার কারণে মায়ের বকুনি খেয়ে বাড়ি থেকে বের হয় নাসিমা। স্বজনরা ভাবে বান্ধবীদের সাথে ঘুরতে গেছে। এরপর সে আর বাড়ি ফেরেনি। বিভিন্ন জায়গায় ও আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে খোঁজ করেও নাসিমাকে পাওয়া যায়নি। পরে ইটভাটার পুকুরে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
ওসি আসাদউজ্জামান আরো জানান, নাসিমার মৃত্যু রহস্যাবৃত। কীভাবে কেন মারা গেছে, তার তদন্ত চলছে। বুধবার মাঠের একজন কৃষক নাসিমাকে ওই পুকুরের বালির মধ্যে পা দিয়ে বসে থাকতে দেখেছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। সে আত্মহত্যা করেছে নাকি তাকে কেউ পাশবিক নির্যাতন করে হত্যা করেছে, তা ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে বোঝা যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ঝিনাইদহ অফিস