আলমডাঙ্গা পৌরসভার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্বরে অবৈধভাবে নির্মিত ১২টি সেফটি ট্যাংক অপসারণ না করায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। আর মাত্র দুদিন পর অমর একুশে ফেব্রুয়ারি-ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যখন জাতি প্রস্তুত, ঠিক তখনই শহীদ মিনার ঘিরে উঠেছে গুরুতর ও লজ্জাজনক অভিযোগ।
স্থানীয়দের দাবি, শহিদ মিনারের মাঠের ভেতরে অবৈধভাবে নির্মাণ করা পায়খানার ১২টি সেফটি ট্যাংক এখনও অপসারণ করা হয়নি। এতে শহরজুড়ে তীব্র অসন্তোষ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনেকেই বিষয়টিকে শহিদদের প্রতি অবমাননা হিসেবে দেখছেন। অভিযোগ রয়েছে, শহিদ মিনারের গা ঘেঁষে গড়ে ওঠা ব্রাইট মডেল স্কুলের ভবন নির্মাণ নিয়েও আইনি জটিলতা রয়েছে। দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী আলমডাঙ্গা ব্যায়ামাগার দখল করে ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে এবং এ বিষয়ে মামলা চলমান। ভবনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১২টি পায়খানার সেফটি ট্যাংক শহিদ মিনার চত্বরে অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে বলেও স্থানীয়রা দাবি করছেন।
‘সচেতন আলমডাঙ্গাবাসী’ নামে একটি সংগঠন ইতোমধ্যে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শহিদ মিনারের তলদেশে থাকা এই সেফটি ট্যাংক দ্রুত অপসারণ না করলে তা শহিদদের প্রতি চরম অবমাননা হিসেবে বিবেচিত হবে। তারা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
সংগঠনের সভাপতি ইকবাল হোসেন বলেন, আর মাত্র দুইদিন পর অমর একুশে ফেব্রুয়ারি পালন হতে যাচ্ছে। অথচ স্কুলের পায়খানার ১২টি সেফটি ট্যাংক অবৈধভাবে নির্মিত অবস্থায় রয়ে গেছে। আমরা চাই দ্রুত দখলমুক্ত করে সেগুলো অপসারণ করা হোক এবং অবৈধ দখলদারদের বিচারের আওতায় আনা হোক।
এ বিষয়ে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল মনে করছেন, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থানের মর্যাদা রক্ষায় দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
আলমডাঙ্গা অফিস