কেন্দ্রীয় কর্মসূচি প্রত্যাহারের পর অবশেষে বার্ষিক পরীক্ষায় ফিরেছেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা। গতকাল রোববার উপজেলার ১৬২টি বিদ্যালয়ে যথারীতি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন গাংনী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এস এম জয়নুল ইসলাম।
অভিভাবকরা জানান, আন্দোলনের কারণে কয়েকদিন পরীক্ষা বন্ধ থাকলেও আজ সন্তানদের পরীক্ষা দিতে দেখে তারা স্বস্তি পেয়েছেন। এক অভিভাবক বলেন, আজ আমাদের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দিয়েছে। তারা খুশি, আমরাও খুশি। আন্দোলনের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের তেমন ক্ষতি হয়নি।
শিক্ষার্থীরা জানায়, তারা আন্দোলন বুঝে না- তাদের আনন্দ শুধু পরীক্ষায় অংশ নিতে পারায়। এক শিক্ষার্থী বলে, স্যাররা আগে পরীক্ষা নেননি, আজ নিয়েছেন। আমরা পাস করলে নতুন ক্লাসে উঠবো, নতুন বই পাব, ভালো লাগছে।
অভিভাবক স্বপন আহমেদ বলেন, আমার মেয়ে আজ পরীক্ষা দিয়েছে। আন্দোলনের কারণে পরীক্ষা বন্ধ হওয়ায় মন খারাপ ছিল। বাবা-মার স্বপ্ন থাকে সন্তানকে নিয়ে। শিক্ষকরা দাবি আদায়ের কর্মসূচি অবশ্যই করবেন, তবে প্রতিষ্ঠান বন্ধ না রেখে করলে ভালো হয়। এতে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হয়।
একজন সহকারী শিক্ষক জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির কারণে পরীক্ষা নিতে না পেরে তারাও মানসিকভাবে কষ্টে ছিলেন। তিনি বলেন, রোববার পরীক্ষায় ফিরতে পেরে ভালো লাগছে। শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিয়েছে-এটাই আমাদের স্বস্তি।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এস এম জয়নুল ইসলাম বলেন, গাংনীর ১৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত।
সমীকরণ প্রতিবেদন