শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ : কলেজছাত্রীর ভিন্নমত

  • আপলোড তারিখঃ ০৪-০২-২০১৮ ইং
পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ : কলেজছাত্রীর ভিন্নমত
জীবননগর উথলীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারমারির ঘটনা নিজস্ব প্রতিবেদক: জীবননগর উপজেলার উথলী মাঝের পাড়ায় পারিবারিক বিরোধের তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’টি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মারামারির ঘটনায় চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় একটি দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদের ভিন্নমত পোষণ করে প্রতিবাদ জানিয়েছে কলেজছাত্রী মোছা. সাথী খাতুন। সে মাঝের পাড়ার মো. ওমর আলীর মেয়ে ও চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অনার্স শেষ পর্বের শিক্ষার্থী। সাথী খাতুন এক লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত ১ ফেব্রুয়ারি’২০১৮ ইং তারিখে চুয়াডাঙ্গা থেকে প্রকাশিত একটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত ‘জীবননগর উথলীতে তিন নারীর চুলোচুলি : ২ জন হাসপাতালে’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের ভিন্ন মত প্রকাশ করছি। গত ৩০ জানুয়ারি মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উথলী মাঝেরপাড়ার আকবর আলীর ছেলে সিরাজ, তার স্ত্রী চায়না খাতুন ও তার ছেলে টগর আমাদের বাড়ির সামনে দাড়িয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগলাজ করতে থাকে এবং আমাকে বাইরে বেরিয়ে আসার জন্য বলে। একপর্যায়ে আমি বাইরে বেরিয়ে এসে গালিগালাজ করার কারণ জানতে চাইলে সিরাজ ও তার স্ত্রী চায়না খাতুন আমাকে জুতা দিয়ে মাথায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারতে থাকে। তাদের হাত থেকে আমাকে রক্ষা করতে আমার মা মোছা. হালিমা খাতুন ছুটে এলে আমাকে ছেড়ে তারা আমার মায়ের উপর হামলা করে। সিরাজ একটা লাঠি দিয়ে আমার মায়ের মাথায় আঘাত করতে করতে মাটিতে ফেলে দেয় এবং সে পড়ে যাওয়ার পরও মারতে থাকে। এ সময় প্রতিবেশিরা ছুটে এসে তাদের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে। রাতেই আমার মাকে গ্রাম্য চিকিৎসকের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয় এবং পরদিন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ওই রাতেই সিরাজের স্ত্রী চায়না খাতুনকে জীবননগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করানো হয়। যেখানে বলা হয়- উথলী মাঝেরপাড়ার আবু বক্করের বড় ছেলে ওমর আলী তার বাগানের গাছপালা কাঠ ব্যবসায়ী আব্দুল কুদ্দুস ও কালামের নিকট বিক্রি করে দেয়। ওমর আলীর ছোট ভাই সিরাজুল ইসলামের ভাইয়ের নিকট বিক্রি করে দেয়। এ অবস্থায় গত মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে গাছের ডালপালা কেনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ওমর আলীর স্ত্রী হালিমা খাতুন (৪৫) ও কলেজ পড়–য়া কন্যা সাথী খাতুন (২২) একজোট হয়ে সিরাজুলের স্ত্রী চায়না খাতুনের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করে। আদৌ এ ধরণের কোন ঘটনা সেখানে ঘটেনি। আমাদেরকে জড়িয়ে পত্রিকায় যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। প্রকৃতপক্ষে আমি চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে ¯œাতক শেষ বর্ষের ছাত্রী হওয়ায় আমার পড়াশোনা বন্ধ করে তাদের পছন্দ করা ছেলেকে বিয়ে না করায় প্রতিনিয়ত আমার পরিবারের উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং হুমকী ধামকীও দেয়া হচ্ছে।


কমেন্ট বক্স
notebook

ভোজ্যতেলের ঊর্ধ্বগতিতে নিয়ন্ত্রণহীন বাজার