চুয়াডাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় দুইজন আহতের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রোববার বেলা তিনটার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলার খাদিমপুর সড়কের পাশে ও চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ভালাইপুর মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- আলুকদিয়া আকন্দবাড়িয়া গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে শাহাদাত আলী এবং আলমডাঙ্গা থানার ভালাইপুর গ্রামের আবদার মল্লিকের ছেলে ফজলু। আহতদের মধ্যে ফজলুর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলমডাঙ্গা থেকে হাটবোয়ালিয়াগামী ‘গোধূলি’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস প্রথমে আলমডাঙ্গার খাদিমপুর মোড় এলাকায় ফজলুকে ধাক্কা দেয়। পরে দ্রুতগতিতে পালিয়ে যাওয়ার সময় ভালাইপুর মোড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরও একটি দুর্ঘটনা ঘটায়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী শাহাদাত আলী গুরুতর আহত হন।
ফজলুর প্রতিবেশী রায়হান জানান, ‘আমার ভাই মাঠে গরু চরাচ্ছিল। গরু রেখে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় একটি যাত্রীবাহী বাস পেছন থেকে এসে তাকে ধাক্কা দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। বাসটি দ্রুত চুয়াডাঙ্গার দিকে চলে যায়। পরে জানতে পারি, একই বাস ভালাইপুর মোড়েও আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে।’
অপরদিকে শাহাদাত আলীর ভাই আল-আমিন জানান, ‘আমার ভাই ভালাইপুর মোড়ে মোটরসাইকেলে হাওয়া দিচ্ছিল। এসময় একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয় এবং মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।’ স্থানীয়রা জানান, খাদিমপুর মোড়ে একজনকে ধাক্কা দিয়ে পালানোর সময় বাসটি ভালাইপুর মোড়ে এসে আবারও দুর্ঘটনা ঘটায়। দুর্ঘটনার পর চালক পালিয়ে গেলেও বিক্ষুব্ধ জনতা বাসটি আটক করে ভাঙচুর চালায়।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আহত দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। পরে ফজলুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক