শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি
দামুড়হুদার জগন্নাথপুর কৃষি ব্যাংকের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে

সিসি লোনে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ

  • আপলোড তারিখঃ ০৮-০৫-২০২৬ ইং
সিসি লোনে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদহ ইউনিয়নের জগন্নাথপুর শাখার ম্যানেজার সোহেল উদ্দীন তালুকদারের বিরুদ্ধে সিসি লোন পাইয়ে দিতে খামারীর কাছে টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযোগটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ব্যাংক ম্যানেজার। অভিযোগকারী চারুলিয়া গ্রামের দাউদ শেখের ছেলে ও নাসিরুল এগ্রো ফার্মের মালিক নাসিরুল ইসলাম জানান, তিনি দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে গাড়ল ভেড়ার খামার গড়ে তুলেছেন। বর্তমানে তার গরুর খামারও রয়েছে। তার খামার নিয়ে দেশের বিভিন্ন টিভি চ্যানেল, জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন মাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

নাসিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার খামারে বর্তমানে ১২টি গরু রয়েছে। এছাড়া জমিজমা ও পাকা বাড়িও আছে। আমি নাসিরুল এগ্রো ফার্মের নামে ১৫ লাখ টাকার সিসি লোন নিতে জগন্নাথপুর কৃষি ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করি। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যেসব কাগজপত্র চেয়েছে, গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সব সংগ্রহ করে জমা দিয়েছি। এমনকি আমার বাবা ও দাদার কাগজপত্রও দিতে হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্যাংকের ম্যানেজারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আমার খামার পরিদর্শনও করেছেন। গত রোববার ম্যানেজার আমাকে ডেকে বলেন, ‘টাকা এনেছেন?’ পরে জানান, সিসি লোন নিতে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ হবে। আমি জানতে চাই এত টাকা কেন লাগবে। তখন তিনি আমার ফাইল ফেলে দিয়ে বলেন, ৬০ লাখ টাকা লেনদেন করতে হবে, তাহলে এক মাস পরে লোন পাবেন।’

নাসিরুল ইসলামের অভিযোগ, ‘আমার মতো একজন প্রতিষ্ঠিত খামারীকেও যদি লোন নিতে এমন হয়রানির শিকার হতে হয়, তাহলে সাধারণ খামারীরা কোথায় যাবে?’ তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক জগন্নাথপুর শাখার ম্যানেজার সোহেল উদ্দীন তালুকদার বলেন, ‘আমি তার কাছে কোনো ঘুষ বা ২০-২৫ হাজার টাকা চাইনি। তাকে শুধু বলেছি, নির্ধারিত ব্যাংক ফি দিতে হবে এবং ব্যাংকে নির্দিষ্ট পরিমাণ লেনদেন থাকতে হবে। তার লোনের প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল। আরও দুইটি কাজ বাকি ছিল, সেগুলো সম্পন্ন হলেই ফাইল আরএম অফিসে পাঠানো হতো।’

তিনি দাবি করেন, ‘তিনি যদি ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার লেনদেনও করতেন, তাহলেও লোন পেয়ে যেতেন। আমি তার লোনের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়।’ এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) উবাইদুর রহমান সাহেল বলেন, এ ধরনের কোনো লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



কমেন্ট বক্স