জীবননগর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও জীবননগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান মঈন উদ্দীন ময়েনের বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্রমূলক ও মিথ্যা বানোয়াট হত্যা মামলা’র প্রতিবাদ এবং উচ্চ আদালত থেকে অগ্রিম জামিন পাওয়ায় গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাদ আসর জীবননগর মুক্তমঞ্চে তাঁকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়।
গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরুতে জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু, জামায়াত নেতা দুই সহোদর হাফিজুর রহমান ও মফিজুর রহমানের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এর আগে হাসাদাহ বাজার থেকে ছাদ খোলা গাড়িতে শোভাযাত্রার মাধ্যমে ময়েনকে জীবননগর মুক্তমঞ্চে আনা হয়।
গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মঈন উদ্দীন ময়েন বলেন, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দীর্ঘ ১৭ বছর একসঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে আমরা রাজপথে ছিলাম এবং ঐক্যবদ্ধভাবেই আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের এমপি টগর আমার জনপ্রিয়তা দেখে আমাকে প্রধান প্রতিপক্ষ ভাবত। রাজনৈতিকভাবে হয়রানি ও নেতৃত্বকে দমিয়ে রাখতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিতো। একইভাবে এখন জামায়াত মামলা দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথানত করিনি, ভবিষ্যতেও করব না। জীবননগরের মানুষের সুখ-দুঃখে সবসময় পাশে ছিলাম এবং আগামীতেও থাকবো। জনগণের সমর্থনই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। নেতা-কর্মীদের বিপদে আমি সবসময় এগিয়ে আসব।
গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আব্দুল হামিদ, সদস্যসচিব সানোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু তালেব, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আলিম, সারোয়ার হোসেন, মিঠু, সীমান্ত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বদরউদ্দিন বাদল, কেডিকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা রাফিউল, বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা খাদেমুল ইসলাম খোকন, শ্রমিক নেতা রাবগুল প্রমুখ।
জীবননগর অফিস