বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব পানি দিবসে আলোচনা সভা, সীমান্ত নদীর ন্যায্য বণ্টনে জোর

পানি অধিকার নিশ্চিতে আঞ্চলিক সহযোগিতার আহ্বান
  • আপলোড তারিখঃ ১৪-০৪-২০২৬ ইং
চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব পানি দিবসে আলোচনা সভা, সীমান্ত নদীর ন্যায্য বণ্টনে জোর

চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব পানি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সীমান্তবর্তী নদীগুলোর ন্যায্য পানি বণ্টন নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রত্যাশা সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে এবং এএলআরডির সহযোগিতায় সংস্থার নিজস্ব মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ‘পানি অধিকার মানে খাদ্য অধিকার, পানি অধিকার মানে জীবিকার অধিকার’- এই প্রতিপাদ্যে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।


সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মো. বিল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক অধ্যক্ষ হামিদুল হক মুন্সি, চুয়াডাঙ্গা পৌর ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী বিশ্বাস, সমাজসেবক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব লিটু বিশ্বাস, সিনিয়র সাংবাদিক এম এম আলাউদ্দিন, জাহানারা যুব উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক জাহান্নারা খাতুন এবং অন্মেষা যুব নারী কল্যাণ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক লিজা হুসাইন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সহ-সমন্বয়কারী আসাদুজ্জামান, মহিবুল, আরিফুর রহমান, হামিদুল ইসলাম ও খোকন মিয়া।


বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে মানুষের জীবন, জীবিকা ও প্রাকৃতিক সম্পদ হুমকির মুখে পড়ছে। ফলে পানি এখন শুধু একটি সম্পদ নয়, এটি মানবাধিকার, খাদ্য অধিকার এবং জীবিকার অধিকারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত একটি বিষয়। তারা আরও বলেন, পানি সংকটের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে নারী, কৃষক ও জেলে সম্প্রদায়ের ওপর। অথচ পানি ব্যবস্থাপনার সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অংশগ্রহণ এখনও সীমিত। তাই পানি ব্যবস্থাপনায় নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নেতৃত্ব নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


বক্তারা জানান, কৃষি ও খাদ্য উৎপাদন দেশের অর্থনীতির মূলভিত্তি হলেও পানি প্রবাহের অসম বণ্টনের কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। এ জন্য কৃষি খাতে পানির ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা জরুরি। এছাড়া নদী, হাওর, জলাশয় ও ভূগর্ভস্থ পানির টেকসই ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিয়ে বক্তারা বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই সম্পদ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। সীমান্তবর্তী নদীগুলোর ন্যায্য পানি বণ্টনের জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা অপরিহার্য বলেও তারা উল্লেখ করেন।


বক্তারা আরও বলেন, পানি অধিকারকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে, যাতে প্রত্যেক মানুষ তার জীবন ও জীবিকার জন্য প্রয়োজনীয় পানির অধিকার পায়। ‘পানি বাঁচলে জীবন বাঁচবে, পানি বাঁচলে খাদ্য ও জীবিকা সুরক্ষিত থাকবে’- এই বার্তায় সভা শেষ হয়।



কমেন্ট বক্স
notebook

উথলী হাইস্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা