আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের ভোলারদাড়ী গ্রামের বেকারি ব্যবসায়ী ইসরাইল হোসেন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার, হুমকি-ধামকি ও ব্যাবসায়িক ক্ষতির অভিযোগ তুলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি এই সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বেনাগাড়ি গ্রামের কালাম সর্দ্দার তার ছোট ভাইকে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে ২০২২ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তার কাছ থেকে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার নেন। পরে টাকা ফেরত না দিয়ে একটি চেক দিলে ব্যাংকে গিয়ে তিনি জানতে পারেন সেটি ভুয়া। এ ঘটনায় তিনি ২০২৩ সালের ১৬ আগস্ট আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার রায়ে ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি আদালত কালাম ও তার স্ত্রীকে দুই বছরের কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, মামলা চলাকালে নাগদাহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইজাজ ইমতিয়াজ বিপুল ও ২ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য রনি মহাম্মদ যাচাই-বাছাই ছাড়াই তার বিরুদ্ধে ‘সুদ ব্যবসায়ী’ উল্লেখ করে একটি প্রত্যয়নপত্র প্রদান করেন। এ ঘটনায় তিনি তাদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করলে আদালত সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
ইসরাইল হোসেন দাবি করেন, সিআইডির তদন্ত শেষে যাওয়ার পর থেকে চেয়ারম্যান ও মেম্বারের সহযোগীরা তাকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। তাদের মধ্যে মুকুল মকছুদ, পিন্টু, ডাবলু, মোহনসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, তাকে মসজিদে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং দোকানদারদের হুমকি দিয়ে তার কাছ থেকে বেকারি পণ্য না নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। এতে তার ব্যবসা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিভিন্ন দোকানে তার পাওনা টাকা আটকে আছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
ভ্রাম্যমান প্রতিবেদক,আলমডাঙ্গা