চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার এলাকার সোনালী ব্যাংক থেকে তোলা সমিতির ঋণের ৮০ হাজার টাকা খোয়া যাওয়ার ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এক গৃহবধূ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সেলিনা বেগম চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গাড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের ছাগলাপাড়া গ্রামের দিনমজুর পেয়ার আলীর স্ত্রী। কয়েকদিন আগে একটি সমিতি থেকে ৮০ হাজার টাকা ঋণ পান তিনি। সেই ঋণের টাকা তুলতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে চুয়াডাঙ্গা বড় বাজার এলাকার সোনালী ব্যাংকে আসেন।
ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বের হওয়ার পর তিনি বড় বাজারে একটি দোকান থেকে মুরগির খাবার কেনেন। পরে কোলে সন্তান নিয়ে নিউ মার্কেটের দিকে হাঁটতে থাকেন। এসময় সন্তানের জন্য ব্যাগ খুলতে গিয়ে দেখতে পান ব্যাগের চেইন খোলা এবং ভেতরে থাকা ৮০ হাজার টাকা নেই। সেলিনা বেগম কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘আমি ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিচের বাজারে গিয়ে মুরগির খাবার কিনি। এরপর ছেলে কোলে নিয়ে নিউ মার্কেটের দিকে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ ছেলেকে নামানোর সময় দেখি ব্যাগের চেইন খোলা, ভেতরে টাকা নেই। তখনই আবার দোকানে গিয়ে জিজ্ঞেস করি কোনো টাকা পড়ে আছে কি না। দোকানদার বলেন, তিনি কিছু দেখেননি। পরে ব্যাংকে গিয়ে সিসিটিভি ক্যামেরাও দেখি, কিন্তু কিছুই পাওয়া যায়নি।’
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ঘটনাটি থানায় লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যাংকের সিসিটিভি ফুটেজও পর্যালোচনা করেছে। তবে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বাজারের ভেতরেই কোনো এক সময় টাকাগুলো খোয়া যেতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পুলিশের একটি টিম কাজ করছে। একই সঙ্গে ঈদ সামনে থাকায় সবাইকে বেশি সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
নিজস্ব প্রতিবেদক