সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

আলমডাঙ্গায় জামায়াতের হামলার প্রতিবাদে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার করে ভোট চাওয়ার অভিযোগ
  • আপলোড তারিখঃ ২৬-০১-২০২৬ ইং
আলমডাঙ্গায় জামায়াতের হামলার প্রতিবাদে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

আলমডাঙ্গা উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা ও পৌর বিএনপি। গতকাল রোববার রাত ১০টার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর বিএনপির কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রোকন, পৌর বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান পিণ্টু, সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ওল্টুসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।


লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন বলেন, রোববার বিকেল পৌনে চারটার দিকে খাদিমপুর ইউনিয়নের যুগিরহুদা গ্রামে জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নারী কর্মী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে যান। অভিযোগ করা হয়, তারা পবিত্র কুরআন শরীফ হাতে নিয়ে স্থানীয় নারীদের কুরআন ছুঁয়ে শপথ করিয়ে ভোট চাইছিলেন। এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা আপত্তি জানিয়ে ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার করে ভোট না চাইতে অনুরোধ করেন।


তিনি বলেন, নিষেধ উপেক্ষা করে ভোট চাইতে থাকলে একপর্যায়ে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা বিএনপির কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে বিএনপির নারী ও পুরুষসহ নয়জন নেতা-কর্মী গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন- যুগিরহুদা গ্রামের হাসিবুল ইসলামের ছেলে মানিক মিয়া (৩৬), তার স্ত্রী মুক্তি খাতুন মুক্তা (৩৫), মতিয়ার রহমানের ছেলে রাকিব (১৯), শামিমের স্ত্রী রিক্তা খাতুন (২৬), মৃত শুকুর আলীর ছেলে হায়দার আলী বিশ্বাস (৬২), বজলুর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান (৫৫), মুসছুর আলীর ছেলে আসাদুল হক (৫২), হাফিজুরের মেয়ে রেমনি খাতুন (২০) এবং হাসিবুল হক বিশ্বাসের ছেলে আরাফাত আলী (২৪)।


লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ঘটনার সময় উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেন, জামায়াতের নারী কর্মীদের কাছে ছোট কুরআন শরীফ ছিল এবং তা ব্যবহার করে ভোট চাইছিলেন। বক্তব্যের শেষাংশে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং ধর্মীয় বিশ্বাস ব্যবহার করে ভোট চাওয়া বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে জানা গেছে।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী