দামুড়হুদা উপজেলার রঘুনাথপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রায় দুই বছর যাবৎ কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার আব্দুল হান্নান যোগদান না করেও চাকরিতে বহাল রয়েছে। সপ্তাহে দুই দিন কমিউনিটি ক্লিনিক খুললেও দায়িত্বরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার কখন আসে, কখন যায়, তা জনগণের জানার বাইরে। আর পাঁচ দিন থাকে কমিউনিটি ক্লিনিকে তালাবদ্ধ। এতে জনসাধারণ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার হাউলী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর আব্দুল হান্নান কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার পদে যোগদান করেন। প্রথম দিকে ভালোভাবেই ডিউটি পালন করলেও প্রায় দুই বছর যাবৎ কর্মস্থলে তিনি আসেন না। প্রায় দুই বছর যাবৎ অফিস না করলেও কীভাবে তিনি চাকরিতে বহাল আছেন, এটাই প্রশ্ন সাধারণ জনগণের।
এদিকে, সাইফুল বীব আহাম্মেদ কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার হিসেবে জয়রামপুর মাঠপাড়ায় কর্মরত আছেন। তিনি সপ্তাহে প্রতি রোববার রঘুনাথপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা প্রদান করেন। আর ৫ দিন থাকে তালা দেওয়া। এ বিষয়ে কমিউনিটি ক্লিনিক হেলথকেয়ার প্রোভাইডার আব্দুল হান্নানের মোবাইল ফোনে কল দিলে বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মশিউর রহমান বলেন, আব্দুল হান্নানের সাথে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। যোগাযোগ না করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। কেউ সময় মতো কর্মস্থলে না আসলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অনিয়ম হলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) উবাইদুর রহমান সাহেল বলেন, এতদিন কর্মস্থলে যোগদান না করে কীভাবে চাকরি বহাল থাকে? বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, শরিফুল ইসলাম কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার দুধপাতিলা কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত রয়েছেন। সপ্তাহে মঙ্গলবার রঘুনাথপুর কমিউনিটি ক্লিনিক ভারপ্রাপ্ত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডারের দায়িত্ব পালন করেন। এখানেও চলছে অনিয়ম। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কমিউনিটি ক্লিনিকের ৯টার সময় কর্মস্থলে আসার কথা থাকলেও তিনি আসেন ১০টার পরে।
প্রতিবেদক দামুড়হুদা