হাড়কাঁপানো ঠান্ডা আর হিমেল বাতাসে জনজীবন প্রায় স্থবির জীবননগরবাসীর। একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রিরও বেশি কমে গিয়ে সর্বনিম্ন ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ছিন্নমূল, দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। একই সঙ্গে বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগ ও ডায়রিয়ার প্রকোপ।
এই শীতে শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে রাতে হাসপাতাল ও এতিমখানায় গিয়ে কম্বল বিতরণ করেছেন জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আল-আমীন। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে তিনি জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি থাকা রোগী, বাঁকা ইসলামী মাদ্রাসা এবং কাশিপুর মাঠপাড়া মাদ্রাসার এতিম শিশুদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন।
এসময় ইউএনও মো. আল-আমীনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সৈয়দ আব্দুল জব্বার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান সুজন এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান।
কম্বল বিতরণকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল-আমীন বলেন, চুয়াডাঙ্গায় শীতের সময় অতিরিক্ত শীত এবং গরমের সময় অতিরিক্ত গরম অনুভূত হয়। ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে যে কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে, তা পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হচ্ছে। ছিন্নমূল, গরিব ও অসহায় শীতার্ত মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করাই আমাদের লক্ষ্য। এরই অংশ হিসেবে আজ রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগী এবং বিভিন্ন মাদ্রাসার এতিম শিশুদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, রাতের আঁধারে হাসপাতালে রোগী ও এতিমখানায় গিয়ে সরাসরি কম্বল বিতরণ করায় প্রশাসনের এই উদ্যোগে শীতার্ত মানুষদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
জীবননগর অফিস