মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

দামুড়হুদা উপজেলায় আমন ধানের বাম্পার ফলন

খরচ কম হওয়ায় লাভবান কৃষকেরা
  • আপলোড তারিখঃ ২৪-১২-২০২৫ ইং
দামুড়হুদা উপজেলায় আমন ধানের বাম্পার ফলন

দামুড়হুদা উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শে এ বছর ধান উৎপাদনে সন্তোষজনক সাফল্য অর্জন করেছেন কৃষকেরা। একই সঙ্গে সেচ খরচ কম হওয়ায় উৎপাদন ব্যয়ও তুলনামূলকভাবে হ্রাস পেয়েছে, ফলে কৃষকেরা গত বছরের চেয়ে বেশি লাভবান হয়েছেন।


কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি রোপা আমন মৌসুমে উপজেলায় ৭ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৭ হাজার ৫৪১ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে। এ মৌসুমে হেক্টরপ্রতি গড় উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৫ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন ধান।


গত বছরও ৭ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও বাস্তবে চাষ হয়েছিল ৭ হাজার ৫৪০ হেক্টর জমিতে। সে সময় হেক্টরপ্রতি উৎপাদন ছিল ৫ দশমিক ২ মেট্রিক টন। সে তুলনায় চলতি বছরে উৎপাদন কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


উপজেলার পরানপুর গ্রামের কৃষক রাহিম বক্সের ছেলে মহিদুল ইসলাম জানান, তিনি এক বিঘা জমিতে প্রায় ২০ মণ আমন ধান উৎপাদন করতে পেরেছেন। একই গ্রামের নবাব আলীর ছেলে হাসান আলী বলেন, তার পাঁচ বিঘা জমিতে ধান চাষ ছিল এবং বিঘাপ্রতি গড়ে ১৬ মণ করে ধান পেয়েছেন।


দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিসার শারমীন আক্তার জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর বৃষ্টিপাত বেশি হওয়ায় রোপা আমন ধান চাষে কৃষকদের সেচের ওপর নির্ভরতা কমেছে। ফলে সেচ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘অনুকূল আবহাওয়া ও সঠিক সময়ে কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে এ বছর ধানের ফলন ভালো হয়েছে। এতে কৃষকরা আর্থিকভাবে উপকৃত হয়েছেন।’



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী