দামুড়হুদা উপজেলার কুনিয়া চাঁদপুর সিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসার পরীক্ষা শুরুর ১৪-১৫ ঘণ্টা আগে ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম শ্রেণির পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র ‘রবিউলস এডুকেয়ার’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার চ্যানেলে এই প্রশ্নপত্র প্রকাশ করা হয়। বিষয়টা নিয়ে অভিভাবকসহ সচেতন মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
মাধ্যমিক লেভেলের পরীক্ষাতেও যদি প্রশ্ন ফাঁস হয়, তাহলে পড়াশোনার মান কোথায় গিয়ে ঠেকবে, এমন মন্তব্য করেন সচেতন মহলসহ এলাকাবাসী। পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। আর এই প্রশ্ন ফাঁসের সাথে যারা জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি তুলেছেন তারা।
কুনিয়া চাঁদপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার আবু বক্কর সিদ্দিক এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কোনো কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি জানান, প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে তিনি কোনো কিছুই জানেন না। এ প্রশ্ন তাদের যে সমিতি রয়েছে, সেখান থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে একটা প্রতিষ্ঠান থেকে ছাপানো হয়েছে। প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা ঘটলে বিষয়টা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি হাজী হাফেজ নিছার উদ্দীন বলেন, ‘প্রশ্ন তো কেনা। বিষয়টা আমি আপনার কাছ থেকে এখন শুনলাম। আমরা বসব, দেখি বসে এর কী সমাধান করা যায়।’ দামুড়হুদা উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার রাফিজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি মাদ্রাসার সুপারের সাথে কথা বলে এ বিষয়ে নিশ্চিত হবো। তারপর এর সাথে যারাই জড়িত, হোক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তিথি মিত্রের সাথে কথা বলেন, ‘আমি তো বদলি হয়ে গেছি। বিষয়টা আমি এখনই দামুড়হুদা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে বলছি, দেখে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য।’
প্রতিবেদক দামুড়হুদা