মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় মৌসুমের শীতলতম দিন, তাপমাত্রা ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

দিনে রোদের দেখা মিললেও রাত হলেই বাড়ছে তীব্র ঠান্ডা
  • আপলোড তারিখঃ ২৭-১১-২০২৫ ইং
চুয়াডাঙ্গায় মৌসুমের শীতলতম দিন, তাপমাত্রা ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

চুয়াডাঙ্গায় জেঁকে বসতে শুরু করেছে শীত। দিনে রোদের দেখা মিললেও রাতের তীব্র ঠান্ডা ইতোমধ্যেই হাড়ে কাঁপন ধরিয়েছে জেলার মানুষের মধ্যে। কয়েকদিন ধরে ১৫ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করা তাপমাত্রা হঠাৎ কমে এসেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। গতকাল বুধবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা মৌসুমের সর্বনিম্ন।


চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোররাত ও সকালে শীতের অনুভূতি ছিল আরও প্রকট। সকাল ছয়টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৪.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। তবে সকাল ৯টার দিকে তাপমাত্রা আরও কমে দাঁড়ায় ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এসময় বাতাসের আর্দ্রতাও নেমে আসে ৮৬ শতাংশে।


এভাবে প্রতিদিনই প্রায় এক ডিগ্রি করে কমছে তাপমাত্রা। ফলে সকালবেলায় রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকছে। প্রয়োজন ছাড়া বের হচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। জীবিকার তাগিদে কেউ কেউ বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামলেও শীতের প্রকোপে বাড়ছে দুর্ভোগ। শিক্ষার্থীদের ওপরও পড়েছে শীতের চাপ। পরীক্ষা ও কোচিংয়ের কারণে নিম্ন তাপমাত্রা উপেক্ষা করে বের হতে হচ্ছে তাদের।


কোচিংয়ে যাওয়া শিক্ষার্থী রনি আহমেদ বলেন, ‘সকালে গরম বিছানা ছেড়ে উঠতেই ইচ্ছা করে না। সামনে পরীক্ষা, তাই কিছু করার নেই। শীত উপেক্ষা করে বের হতে হচ্ছে।’ রিকশাচালক সিরাজ জানান, ‘রিকশা না চালালে খাবো কী? শীতকালেই সবচেয়ে কষ্ট হয়। চুয়াডাঙ্গাতে সবসময়ই শীতটা একটু বেশি পড়ে। বছরের পর বছর এভাবেই মানিয়ে চলছি।’


এদিকে, তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে ধারণা করছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস। শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিম্নআয়ের মানুষের দুর্ভোগও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সবাই।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী