মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় পদোন্নতি বঞ্চনার প্রতিবাদে শিক্ষকদের কর্মবিরতি

  • আপলোড তারিখঃ ১৮-১১-২০২৫ ইং
চুয়াডাঙ্গায় পদোন্নতি বঞ্চনার প্রতিবাদে শিক্ষকদের কর্মবিরতি

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের যোগ্য প্রভাষকদের সহকারী অধ্যাপক পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি প্রদানের দাবিতে সারাদেশের মতো চুয়াডাঙ্গাতেও ‘নো প্রোমোশন, নো ওয়ার্ক’ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি পালিত হয়। এতে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ, সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজ এবং দর্শনা সরকারি কলেজের পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষকরা অংশ নেন। শিক্ষা ক্যাডারের অন্যান্য শিক্ষকও কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানান।


শিক্ষকরা জানান, ৩২তম থেকে ৩৭তম বিসিএস ব্যাচের প্রায় আড়াই হাজার প্রভাষক দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির অপেক্ষায় আছেন। অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা নিয়মিত পদোন্নতি পেলেও শিক্ষা ক্যাডারে প্রভাষকদের পদোন্নতি একযুগেরও বেশি সময় ধরে ঝুলে আছে। সার্ভিস রুলের সব শর্ত পূরণ করেও তাঁরা সহকারী অধ্যাপক পদে উন্নীত না হওয়ায় তীব্র হতাশা তৈরি হয়েছে। প্রশাসনিক জটিলতার কারণে পদোন্নতির গেজেট প্রকাশ বিলম্বিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন শিক্ষকরা। তারা জানিয়ে দেন- ন্যায্য পদোন্নতি না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন।


চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘৩২ থেকে ৩৭তম বিসিএসের অগণিত প্রভাষক যোগ্যতা অর্জনের পরেও পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত। অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা ৯ম থেকে ৬ষ্ঠ গ্রেডে চলে গেছেন; কেউ কেউ আরও উপরে। অথচ আমরা দীর্ঘ ১২ বছর একই পদে আটকে আছি- এটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।’


ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক খন্দকার রোকনুজ্জামান বলেন, ‘২৬টি ক্যাডারে নিয়মিত পদোন্নতি হয়, শুধু শিক্ষা ক্যাডারই বঞ্চিত। যেখানে ৫ বছরের মধ্যে পদোন্নতি হওয়ার কথা, সেখানে প্রভাষকরা একযুগেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষায়। যে শিক্ষকরা ভবিষ্যতের ডিসি-সচিব তৈরি করেন, তাঁদের প্রতি অবহেলা কেন- আমরা তা বুঝি না।’


এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক আজিম হোসেন, মাসুদ আলম, লিপু আহমেদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক বশির আহমেদ মাসুম, শামীমা নাসরিন, অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক হাসান আলী, দর্শন বিভাগের প্রভাষক জামসেদুর রহমান, ইয়াসমিন আরা, সাবিনা খাতুন, ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক সাইফুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক আতাউল হক রাসেল, কামরুল হাসান, ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক এ.এইচ.এম খাদেমুল সাত্তার, সাজিদ হাসান, পদার্থ বিভাগের প্রভাষক মো. সালাহউদ্দিন, মো. সুজাউদ্দৌলা, রসায়ন বিভাগের প্রভাষক উম্মে মাসুমা শারমিন, গণিত বিভাগের প্রভাষক উত্তম কুমার বিশ্বাস, উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক তৌফিকুল ইসলাম, প্রাণীবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক সুপন কুমার দে, শুভ্রা শাওলিন, কৃষিবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. সামসুজ্জোহাসহ আরও অনেকে।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী