চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ ফুটবল মাঠে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল চেকআপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে এ ফ্রি মেডিকেল চেকআপ করা হয়। এসময় শতাধিক ব্যক্তির ব্লাড সুগার ও প্রেসার নির্ণয় ও ওজন পরিমাপ করা হয়। এসময় বিদায়ী জেলা প্রশাসককে ক্রেস্ট দিয়ে বিদায় সংবর্ধনা জানানো হয়। এসময় চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজে যারা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন, তাদের জন্য জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের উদ্যোগে শরীরচর্চার উপকরণ স্থাপন করা হয়েছে। সম্প্রতি জেলা প্রশাসক বদলির আদেশ পাওয়ায় তিনি শরীর চর্চার মানুষদের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাত করেন।
এসময় জেলা প্রশাসক জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘শরীরচর্চার কার্যক্রম আপনারা অব্যাহত রাখবেন। আমি আপনাদের জন্য ক্ষুদ্র চেষ্টা করেছি। যারা এখানে আসেন, তারা ফজরের নামাজ পড়েই আসেন। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। আগামী রোববার সকালে চুয়াডাঙ্গা থেকে চলে যাবো। আমি আপনাদের জন্য দোয়া করি এবং আপনাদের কথা আমার মনে থাকবে।’
এসময় সাবেক অধ্যক্ষ রেজাউল করিম, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, আত্মবিশ্বাসের নির্বাহী পরিচালক আকরামুল হক বিশ্বাস খোকন, ওস্তাদ আবদুস সামাদ, আব্দুল কাদের বাবু, আব্দুল হান্নান, মো. তিতাস, শরীফুল ইসলাম, লিটু বিশ্বাস, কাজল মাহমুদও ডা. পলাশসহ শরীর চর্চার মানুষেরা উপস্থিত ছিলেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আওলিয়ার রহমান বলেন, জনগণকে স্বাস্থ্য সচেতন হিসেবে গড়ে তুলতে এ আয়োজন করা হয়েছে। জনগণ যদি স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন হয়, তাহলে এটা আমাদের স্বার্থকতা।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস বলেন, দেশে দিন দিন গড় আয়ু বাড়ছে। খাদ্যভাস পরিবর্তন করতে হবে। চিনি ও লবণ খাওয়া পরিহার করবো। ফ্রেস খাবার গ্রহণ করবো। নিয়মিত চেকআপ করবো। অন্তত তিন মাস পর পর চেকআপ করবো। এগুলো আমরা মেনে চলবো। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে আমরা আশ্বাস দিচ্ছি এরকম কার্যক্রম চলমান থাকবে।
সমীকরণ প্রতিবেদক