দর্শনার কেরুজ ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান বলেছেন, ‘আখ চাষ করে কৃষক সম্পূর্ণভাবে কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। যত ধরনের দুর্যোগ হোক না কেন আখ সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয় না। কৃষককে একবারে আখ ফসল পাওয়া থেকে বঞ্চিত করে না। অন্যান্য ফসল যখন দুর্যোগে একবারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়। সেখানে আখ যেকোনো দুর্যোগে টিকে থাকে। এছাড়া আখের সাথে একটি সাথী ফসলও পাওয়া যায়। ফলে আখ চাষ একটি লাভজনক ফসল।’ গতকাল শনিবার পরানপুর গ্রামের মাঠে চাষি আওয়াল হোসেনের জমিতে আখ রোপণ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরর বলেন, চলতি মৌসুমে ৬ হাজার একর জমিতে আখ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর ৫ হাজার একর জমিতে আখ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলে, সেখানে ৫ হাজার ৫৬২ একর জমিতে আখ চাষ হয়েছে। যা দণ্ডায়মান আখ রয়েছে। চলতি বছর ৬৮ দিনে ৮০ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এসময় জিএম কৃষি আশরাফুল আলম ভূঁইয়া, ডিজিএম মাহাবুবুর রহমান, ডেপুটি ম্যানেজার মোস্তাহিজুল ইসলাম ও সিডিও মো. ওয়াশকরনী উপস্থিত ছিলেন।
দর্শনা অফিস