মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

দামুড়হুদায় সারে সংকট, লাইনে দাঁড়িয়ে কৃষকদের হাহাকার

চাহিদার অর্ধেক সারও মিলছে না, বাড়ছে ক্ষোভ
  • আপলোড তারিখঃ ১৩-১০-২০২৫ ইং
দামুড়হুদায় সারে সংকট, লাইনে দাঁড়িয়ে কৃষকদের হাহাকার

দামুড়হুদা উপজেলায় কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী রাসায়নিক সার পাওয়া যাচ্ছে না। আইডি কার্ডের ফটোকপি দেখিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে নিতে হচ্ছে সার। গতকাল রোববার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে সার নিয়েছেন কৃষকেরা। তবে কিছু কৃষক সার না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, দামুড়হুদা উপজেলায় মোট ৬৫ হাজার ৯১৭ হেক্টর আবাদি জমি রয়েছে। এর মধ্যে নিট আবাদ করা হয় ২৪ হাজার ৯১১ হেক্টর জমি। রবি মৌসুমে কৃষকের সংখ্যা ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০৬ জন, খরিফ-১ মৌসুমে ১ লাখ ১৬ হাজার ৫০২ জন এবং খরিফ-২ মৌসুমে ৫৫ হাজার ৪৫৮ জন কৃষক চাষ করেন।


জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী বছরে খসড়া চাহিদা পাঠানো হয়, ইউরিয়া ২৪ হাজার ৬৭৮ বস্তা, টিএসপি ৭ হাজার ৪৭০ বস্তা, ডিএপি ১০ হাজার ৬৬৪ বস্তা এবং এমওপি ৯ হাজার ৩৫৭ বস্তা। এর মধ্যে সারা দেশের বরাদ্দ অনুযায়ী দামুড়হুদা উপজেলায় আসে, ইউরিয়া ১২ হাজার ৭০৫ বস্তা, টিএসপি ৩ হাজার ২৫০ বস্তা, ডিএপি ৬ হাজার ৮০০ বস্তা এবং এমওপি ৪ হাজার ১৫৯ বস্তা। তাতে করে কৃষকদের চাহিদার অর্ধেকেরও কম সার মিলছে। এইভাবে চলতে থাকলে এক সময় চাষিরা সারের অভাবে জমি চাষ করতে পারবেন না।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কৃষক বলেন, ‘আমি ১০ বিঘা জমি চাষ করি। এক বস্তা সারে কি হবে? আমরা এর থেকে পরিত্রাণ চাই।’ দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি অফিসার শারমিন আক্তার বলেন, ‘আমরা যে অনুপাতে সারের চাহিদা পাঠাই, তা বিবেচনা করে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ডিলারদের সার দেওয়া হয়। সেই সার বিতরণের ক্ষেত্রে সবাইকে লাইনে দাঁড়িয়ে নিতে হয়। কৃষকেরা অনেক সময় বুঝে না বুঝে বেশি সার ব্যবহার করেন, এতে জমির উর্বরতা কমে যেতে পারে। তাই কৃষকদের জৈব সার ব্যবহার এবং পরিমাণমতো রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা উচিত। এতে কিছুটা হলেও ঘাটতি কমবে।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী