বেতনের পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দর্শনা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি চঞ্চল মেহমুদকে মারধর ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির থানা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল শুক্রবার দর্শনা প্রেসক্লাব এক জরুরি সভা করে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
প্রেসক্লাব সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুরে দর্শনা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মহিউদ্দিন ডেকে নিয়ে চঞ্চল মেহমুদকে মারধর করেন। এ ঘটনায় দর্শনা থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। চঞ্চল মেহমুদ স্থানীয় ঔষধ কোম্পানি ‘ডায়াপ্যাথ’-এ চাকরি করতেন। চাকরি শেষে কোম্পানির মালিক বজলুর রহমানের কাছে তার ৬২ হাজার টাকা বকেয়া থেকে যায়। প্রায় ৯ বছর ধরে তিনি এ টাকা আদায়ের চেষ্টা করলেও পাননি। বিষয়টি নিয়ে তিনি কয়েকদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বজলুর রহমানকে ‘প্রতারক’ উল্লেখ করে একটি পোস্ট দেন।
পরে দক্ষিণ চাঁপপুর গ্রামের নাহিদ মনু বিষয়টি মীমাংসা করবেন বলে আশ্বাস দিয়ে পোস্টটি সরিয়ে ফেলতে বলেন। চঞ্চল সেটি সরিয়েও নেন। কিন্তু এ ঘটনার জেরে বজলুর রহমানের ভাতিজা মহিউদ্দিন মোবাইলে ডেকে নিয়ে চঞ্চল মেহমুদকে মারধর ও অপমান করেন বলে অভিযোগ।
এ ঘটনার প্রতিবাদে প্রেসক্লাব সভাপতি ইকরামুল হক পিপুলের সভাপতিত্বে গতকাল এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য দেন দর্শনা সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আওয়াল হোসেন, সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান ধীরু, ওয়াসিম রয়েল, আব্দুল হান্নান, চঞ্চল মেহমুদ প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন মনিরুজ্জামান সুমন। বক্তারা বলেন, ‘একজন সাংবাদিককে এভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা নিন্দনীয়। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর শাস্তি দাবি করছি।’
দর্শনা অফিস