চুয়াডাঙ্গায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মো. জিলাম (৫১) নামের এক ব্যক্তিকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিমুল কুমার বিশ্বাস এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৩১ মার্চ দুপুরে র্যাব-৬, ঝিনাইদহ ক্যাম্পের সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলিয়ারপুর গ্রামসংলগ্ন বদরগঞ্জ বাজার এলাকায় অভিযান চালান। এসময় পালানোর চেষ্টা করলে জিলামকে আটক করা হয়। পরে তার পরিহিত প্যান্টের পকেট থেকে দুটি জিপারযুক্ত পলিপ্যাক উদ্ধার করা হয়। এর ভেতর থেকে মোট ৪৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ ৩৮ হাজার টাকা।
ঘটনার পর র্যাব-৬ এর উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ৩৬(১) সারণির ১০ (ক) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। ২০২২ সালের ৩০ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চুয়াডাঙ্গা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইয়াসির আরাফাত চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
চুয়াডাঙ্গা জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাড. মারুফ সরোয়ার বাবু বলেন, ‘৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালত এ রায় প্রদান করেছেন। আদালত রায়ে বলেছেন, আসামির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় তাকে অভ্যাসগত অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারের প্রেক্ষিতে দয়া প্রদর্শনের কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া জব্দকৃত ইয়াবা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত ও ধ্বংসের নির্দেশ দেন আদালত।’
নিজস্ব প্রতিবেদক