জীবননগরের ভৈরব নদে হঠাৎ করে পানি বাড়তে শুরু করেছে। গতকাল সোমবার বিকেল থেকে পানির স্রোত দেখা যায়। আর সন্ধ্যার পর পানির প্রবল স্রোতে ভেঙে পড়ে উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের ইলিশের জোল মাঠের নিকট ভৈরব নদের ওপরের একটি ব্রিজ।
স্রোতে ভেসে যাচ্ছে কৃষকের জাগ দেওয়া পাট। নদের আশেপাশে নিম্নাঞ্চলের জমির ফসল তলিয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ করে নদীর পানি বৃদ্ধির কারণ নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে নানা কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, সিংনগর বাঁওড়ের বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ভৈরব নদের জীবননগর অংশে হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার সন্তোষপুর-মনোহরপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ভৈরব নদে হঠাৎ করে পানির উচ্চতা বেড়ে গেছে। পানির প্রবল স্রোত দেখতে নদের পাড়ে ভিড় জমাচ্ছে মানুষ। অনেকেই আবার স্রোতের মুখে মাছ ধরছে। পানিতে ভেসে যাচ্ছে কৃষকের পাটের জাগ। এদিকে হঠাৎ করে পানির প্রবল স্রোত ও উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে নদীর পাড়ের বাসিন্দাদের মাঝে। অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মনোহরপুর গ্রামের এ আর ডাবলু জানান, এ বছরে অনেক বৃষ্টিপাত হয়েছে। কিন্তু ভৈরব নদের পানির এতো স্রোত দেখা যায়নি। কিন্তু আজ (সোমবার) বিকেল থেকে হঠাৎ করে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এভাবে পানি বৃদ্ধি পেতে থাকলে কৃষকদের ফসলের অনেক ক্ষতি হবে। নিম্ন্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সন্তোষপুর গ্রামের সজিব হোসেন বলেন, ‘আজ দুপুরেও নদীর পানি স্বাভাবিক ছিল। বিকেল থেকে নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়ে তীব্র স্রোত বয়ে যাচ্ছে।’ কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে সিংনগর বাঁওড়ের বাঁধ ভেঙে পানি আসার কারণে হঠাৎ করে ভৈরব নদে পানি বেড়েছে। এভাবে পানি বৃদ্ধি থাকলে ফসলের অনেক ক্ষতি হবে। প্লাবিত হবে যাবে নীচু এলাকা। বাঁওড় কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত বাঁধ নির্মাণ করা।
প্রতিবেদক উথলী