আলমডাঙ্গা-চুয়াডাঙ্গা সড়কের রোয়াকুলি বদরগঞ্জ এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পাঁচ ডাকাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, দড়ি এবং সম্প্রতি ছিনতাই হওয়া একটি ব্যাটারিচালিত পাখিভ্যান উদ্ধার করা হয়। তবে চক্রের আরেক সদস্য অন্ধকারে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে এসআই জামাল হোসেন, এএসআই সোহেল রানা ও সঙ্গীয় ফোর্স বদরগঞ্জ এলাকার লোকমানের কাঁঠাল বাগানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করলে পাঁচজনকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সাহেবনগর গ্রামের পলান প্রামানিকের ছেলে ছমির উদ্দিন (৪০), কুটিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর ছেলে জহির উদ্দিন সৈকদ্দিন (৪৫), একই গ্রামের মৃত আব্দুল হকের ছেলে নাজমুল ইসলাম (৩৩), মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের মৃত ফরমান আলীর ছেলে মুজিবর রহমান (৩৩) ও কচুবাড়িয়া (আমলা) গ্রামের মৃত ওমর আলীর ছেলে আরিফ হোসেন (৩৮)। পলাতক ডাকাত সদস্য হলেন- সাহেবনগর গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে মাসুম (৩৫)।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে একটি চাপাতি, দা, লোহার রড, শাবল, ছোরা, দড়ি, চারটি মোবাইল ফোন এবং ছিনতাই হওয়া পাখিভ্যান উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। এর আগে একই রাতে গাংনী উপজেলার কামারখালী গ্রামে বৃদ্ধ ভ্যানচালক ইদ্রিস আলীকে বেঁধে রেখে তার ভ্যান, মোবাইল ও টাকা ছিনতাই করে এই চক্র। ভুক্তভোগী ইদ্রিস আলী নিশ্চিত করেছেন, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরাই তার ওপর হামলা চালিয়েছিল। আলমডাঙ্গা থানার দ্রুত পদক্ষেপে এ ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক ডাকাত মাসুমকে ধরতে অভিযান চলছে।
আলমডাঙ্গা অফিস