আগামী ১৯ জুলাই ঢাকার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ সফল করতে চুয়াডাঙ্গায় সংবাদ সম্মেলন করেছে দলটির জেলা শাখা। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর চুয়াডাঙ্গা জেলা আমির রুহুল আমিন বলেন, ‘এই সমাবেশ কোনো গতানুগতিক রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়। এটি হবে এক ঐতিহাসিক সম্মেলন- যেখানে আমাদের ৭ দফা দাবি তুলে ধরা হবে। নির্বাচনের আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের পরিবারকে পুনর্বাসন করতে হবে। বাস্তবায়ন করতে হবে ‘জুলাই সনদ’ ও ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’।
তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতি চালু করতে হবে, ১ কোটিরও বেশি প্রবাসী নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্কার ছাড়া কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্য নয়। পাশাপাশি, খুনি হাসিনার বিচারও আমাদের দাবির অন্তর্ভুক্ত। আগামীতে আমরা এমন এক ব্যবস্থা চাই, যেখানে পুলিশ বা র্যাব সরকারের নির্দেশে নিরীহ মানুষের বুকে গুলি চালাতে পারবে না।’
রুহুল আমিন বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা জেলা থেকে যারা সমাবেশে যাচ্ছেন, তারা কেউ কারো কাছ থেকে চাঁদা তুলবেন না। প্রত্যেক কর্মী নিজ খরচে রুটি, ডিম, আলু ভাজি ও অন্যান্য শুকনো খাবার নিয়ে রওনা হবেন। যেন খাদ্য নিয়ে কোনো উদ্বেগ আমাদের আন্দোলনের মনোযোগে বিঘ্ন না ঘটায়।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা নায়েবে আমির মাওলানা আজিজুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে দল মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল কাদের, জেলা অর্থ সম্পাদক কামাল উদ্দিন, পৌর জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাসিবুল ইসলাম, পৌর নায়েবে আমির মাহবুব আশিক, সাবেক ছাত্রশিবির জেলা সভাপতি হাফেজ এমদাদুল্লাহ জামেন ও সাবেক সভাপতি হুমায়ুন কবীরসহ জামায়াতের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।
নিজস্ব প্রতিবেদক