সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

লাল কাঁঠাল চাষে সজলের বাজিমাত

  • আপলোড তারিখঃ ১০-০৭-২০২৫ ইং
লাল কাঁঠাল চাষে সজলের বাজিমাত

আধুনিক কৃষি পদ্ধতি অবলম্বন করে ভিয়েতনামের লাল রঙের কাঁঠাল চাষে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা সজল আহম্মেদ। ২০১৩ সালে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামে একটি মাত্র গাছ দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে এই কাঁঠালের চাষ শুরু করেন তিনি। বর্তমানে প্রায় তিন বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে তুলেছেন লাল কাঁঠালের বাগান। প্রতিটি গাছে ধরে ২০-২৫টি কাঁঠাল, প্রতিটির ওজন ১৮-২০ কেজি পর্যন্ত। বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৮০-২০০ টাকা দরে।

ভিয়েতনামের আঠাবিহীন, রঙিন কাঁঠাল আকারে বড়, সুস্বাদু ও উচ্চদামি হওয়ায় বাংলাদেশের বাজারে দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। দেশীয় জাতের তুলনায় এসব কাঁঠালের চাহিদা বেশি, খরচ কম-লাভ বেশি। এমনকি একটি বারোমাসি জাতও রয়েছে, যা সারা বছর ফল দিয়ে থাকে।

উদ্যোক্তা সজল আহম্মেদ জানান, ‘ভিয়েতনামের লাল কাঁঠালের বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এতে আঠা নেই, খেতে অনেক সুস্বাদু, এবং বছরে দুইবার ফল ধরে। সঠিকভাবে চাষ করলে এটি একটি লাভজনক ফল হিসেবে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে।’ বাগান দেখতে আসা সৌদি প্রবাসী দর্শনার্থী ইবরাহিম বলেন, ‘ইউটিউবে দেখেছিলাম লাল কাঁঠাল। এবার বাস্তবে এসে খেলাম। দারুণ স্বাদ, কোনো আঠাও নেই।’

এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘উপজেলায় ভিয়েতনামের কয়েকটি জাতের কাঁঠালের চাষ হচ্ছে, এর মধ্যে লাল রঙের কাঁঠাল অন্যতম। কৃষি বিভাগ সবসময় কৃষকদের পাশে রয়েছে এবং পরামর্শ দিতে প্রস্তুত।’



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী