দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানাধীন সীমান্তবর্তী বড়বলদিয়া (পশ্চিমপাড়া) গ্রামে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত একই গ্রামের বাসিন্দা মো. জুয়েল হোসেন (৪০)। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ মোছা. মোনিরা খাতুন (২৩) দর্শনা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত জুয়েল দীর্ঘদিন ধরেই ওই গৃহবধূকে নানা ধরনের অশালীন প্রস্তাব দিয়ে হয়রানি করে আসছিলেন। প্রায়ই তাদের বাড়ির আশপাশে ঘোরাফেরা করতেন তিনি। ঘটনার দিন গতকাল বুধবার সকাল ৮টার দিকে মোনিরা খাতুন তার তিন বছরের শিশুসন্তানকে নিয়ে ঘরে ছিলেন। সেই সময় জুয়েল হঠাৎ ঘরে ঢুকে তার মুখ চেপে ধরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করেন এবং ধর্ষণের চেষ্টা করেন। শিশুটির কান্নাকাটিতে আশপাশের লোকজন টের পেলে গৃহবধূ কোনোভাবে পালিয়ে গিয়ে শ্বাশুড়ীর কাছে আশ্রয় নেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, ঘটনার পর জুয়েল পালিয়ে যান এবং নানা ধরনের হুমকি দেন। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে স্থানীয় মো. মিঠুনসহ কয়েকজন প্রতিবেশী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গৃহবধূ মোনিরা থানায় অভিযোগ দিয়ে অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহীদ তিতুমীর বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তবে, এ বিষয়ে অভিযুক্ত জুয়েল হোসেন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে এমন জঘন্য ষড়যন্ত্র করছে। আমি এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই।’
সমীকরণ প্রতিবেদক