দামুড়হুদায় আক্তার হোসেনকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় এক বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী ও মেয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে তাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, গত ৫ মে দামুড়হুদা শাহাপাড়া এলাকায় আক্তার হোসেন (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়। এ ঘটনায় আক্তারের ভাই সুমন বাদী হয়ে দামুড়হুদা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত ফকির হোসেনের স্ত্রী মেমজান খাতুন (৭০) ও তার মেয়ে তাসলি খাতুনকে আসামি করা হয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, আক্তার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। কিছুদিন আগে কয়েকজন যুবক তার কাছে মাদকের পাওনা টাকা চাইতে এসেছিল বলেও স্থানীয়রা জানান। তাদের ধারণা, ওই ঘটনার জের ধরেই হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
আহতের স্ত্রী তাসলি খাতুন দাবি করেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে নেশাগ্রস্ত এবং মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত। তিনি বলেন, “মাদকের টাকার লেনদেন নিয়েই এই ঘটনা ঘটতে পারে।”
স্থানীয়রা আরও জানান, তাসলি খাতুনের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধ চলছিল এবং আগামী ৭ মে তাদের তালাক কার্যক্রম হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে থানায় উপস্থিত না হয়ে পরিকল্পিতভাবে নাটক সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে হয়রানির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করলে ঘটনার প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে।
দর্শনা অফিস