চুয়াডাঙ্গায় স্বামী থাকা সত্ত্বেও বিধবা ভাতা কার্ড!
- আপলোড তারিখঃ
০১-০৪-২০১৮
ইং
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা শহরতলীর দৌলতদিয়াড়ে নুরি খাতুন নামের একজন মহিলাকে স্বামী থাকা সত্ত্বেও বিধবা নারী সাজিয়ে বিধবা ভাতা কার্ড প্রদানের অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সেলিমের বিরুদ্ধে। এনিয়ে ওই সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি মহিলা সদস্য মনোয়ারা সুলতানা চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এবিষয়ে আলোকদিয়া ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সেলিম বলেন, নুরি খাতুন অসহায় গরীব মানুষ, তাই আমি তাকে লিষ্ট করে তাকে ভাতা কার্ড দিয়েছি। তিনি আরো বলেন, আমি জানতাম না যে তার স্বামী আছে। এনিয়ে সেলিম মেম্বার কথা ঘুরাতে থাকে। তিনি বলেন, আলোকদিয়া ইউনিয়নে মুকুল মিয়া চেয়ারম্যান থাকাকালীন নুরির বিধবা কার্ডটি হয়। সে গত আড়াই বছর যাবত টাকা তুলছে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবারে সে টাকা তুলেছে সোনালী ব্যাংকের একটি শাখা থেকে। তবে নুরি খাতুন জানে না সে বিধবা ভাতার কার্ড নিয়ে টাকা তুলছেন। সে জানে সে সাহায্যে পেয়েছে, কি কার্ডে পেয়েছে সেটা সে জানেনি। এবিষয়ে আলোকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইসলাম বলেন, আমি এ ঘটনা শুনেছি। তবে তার স্বামী আছে এখন ঘটনা আমার জানা ছিলনা। এবিষয়ে চুয়াডাঙ্গা শহর সমাজসেবা অফিসার আবদুল্লাহ আল সামী'র নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এঘটনা শুনেছি। তবে তার ভাতা স্থগিত করা হয়েছে অনেক আগেই। আর এগুলো মেম্বররা লিষ্ট রেডি করে ইউনিয়ন পরিষদে দেয়। পরে চেয়ারম্যান ভাতার জন্য আবেদন করে। আমি বিষয়টি শুনেছি। তবে গত বৃহস্পতিবার টাকার তোলার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমি জানিনা। তবে আগামীকাল (আজকে) ব্যাংক খুললে জানা যাবে ঘটনাটা কি? এবিষয়ে আলোকদিয়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য মনোয়ারা সুলতানা বলেন, স্বামী থাকা সত্ত্বেও এক নারীকে বিধবা ভাতা দেয়ার বিষয়টি ৯নং ওয়ার্ড মেম্বর সেলিমকে অবগত করা হয়। কিন্তু তিনি কোন কথা না শুনে উল্টো আমার ওপর চড়াও হন। গত বৃহস্পতিবার ওই নারী সোনালী ব্যাংকে বিধবা ভাতা টাকা তুলতে যায়। আমি তার প্রতিবাদ করায় সেলিম মেম্বার আমার চড়াও হয়ে আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। এ ঘটনায় ওইদিনই চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।
কমেন্ট বক্স