জুড়াইনের জাহিদ হোসেনের এক বছর কারাদন্ড
- আপলোড তারিখঃ
২৯-০৩-২০১৮
ইং
চুয়াডাঙ্গায় সাড়ে ১৮ লাখ টাকার ভুয়া চেক প্রদান মামলায়
নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার ভুয়া চেক প্রদান করার অপরাধে ঢাকার জুড়াইনের জাহিদ হোসেনের এক বছর কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গার যুগ্ম দায়রা জজ (১ম) আদালতের বিচারক বুধবার বিকেলে এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় দন্ডিত আসামি পলাতক ছিলেন। মামলার বিবরণে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার ঘোষবিলা গ্রামের মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে খোন্দকার শামছুজ্জামান লিমন বাদী হয়ে ২০১৬ সালের ৩১ জুলাই আলমডাঙ্গা আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় মামলার আসামি ঢাকা জেলার কদমতলি থানার ঋষিপাড়া জুরাইন গ্রামের মো. আকরাম ব্যাপারীর ছেলে জাহিদ হোসেনকে আসামি করা হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ঢাকায় জমি কেনার জন্য মামলার বাদী আসামিকে ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন। বাদীর মনে বিশ্বাস স্থাপনের উদ্দেশ্যে টাকা গ্রহণের পর ২০১৬ সালের ২১ এপ্রিল আসামি বাদীকে ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার একটি চেক প্রদান করেন। আসামি জমি কিনে দিতে ব্যর্থ হওয়ায় বাদী ওই চেক জমা দেন চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলা শাখার পূবালী ব্যাংকে। কিন্তু আসামির একাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় একই বছরের ২৬ মে চেক ডিসঅনার হয়। পরবর্তিতে বিচারের জন্য এ মামলা চুয়াডাঙ্গার যুগ্ম দায়রা জজ (১ম) আদালতে বদলী করা হয়। মামলায় সাক্ষ্যপ্রমাণে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ কামাল হোসেন শিকদার আসামি জাহিদ হোসেনকে এক বছর কারাদন্ড ও ১৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। মামলা চলাকালিন অবস্থায় আসামি পলাতক থাকায় তার অনুপস্থিতে বিচারকাজ শেষ হয়। আসামির বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ইস্যু করা হয়েছে। রাস্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট ইলতুৎমিশ বগেন। প্রসঙ্গত, ওই আসামির বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা আদালতে মানবপাচার আইনে তিনটি মামলা বিচারাধীন আছে। মামলার আসামিও মামলার বাদীকে হয়রানি করার জন্য বাদীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন ও যৌতুক নিরোধ আইনে দুটি মামলা দায়ের করেছেন।
কমেন্ট বক্স