বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেয়ার অভিযোগ : বিএনপির অফিস ভাঙচুর

  • আপলোড তারিখঃ ২১-০৩-২০১৮ ইং
নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেয়ার অভিযোগ : বিএনপির অফিস ভাঙচুর
জীবননগর হাসাদাহ ইউপি নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতের একক প্রার্থী, আ.লীগে একাধিক নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ, বাঁকা ও রায়পুর তিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জোর প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে প্রার্থীরা। হাসাদাহ ইউপিতে বিএনপি ও জামায়াত থেকে পৃথকভাবে একক প্রার্থী থাকলেও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দুই জন প্রার্থী এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী জোর প্রচার-প্রচারণা চালালেও বিএনপি, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর পোস্টার ছেড়া, নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর, প্রচারনায় বাধা দেওয়া এবং হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ২০১২ সালে বৃহত্তর বাঁকা ইউনিয়ন ভেঙে হাসাদাহ, বাঁকা ও রায়পুর এই তিনটি ইউনিয়নে ভাগ করা হয়। ৭ হাজার ৩৫জন পুরুষ ভোটার এবং ৭ হাজার ৮০জন নারী ভোটারসহ এ ইউনিয়নে মোট ৯টি ওয়ার্ডে ১৪ হাজার ১’শ ১৫জন ভোটার রয়েছে। বিএনপি মনোনিত প্রার্থী কামাল সিদ্দিকী ধানের শীষ প্রতীক, আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী রবিউল ইসলাম রবি বিশ্বাস নৌকা প্রতীকে, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সোহরাব হোসেন বিশ্বাস চশমা প্রতীক এবং জামায়াত সমর্থিত সতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান হাজী সিরাজুল হক মাষ্টার আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। বিএনপি মনোনিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কামাল সিদ্দিকী অভিযোগ তুলে বলেন, নির্বাচনী এলাকায় আমার ধানের শীষ প্রতীকের পোস্টার ছেড়া, প্রচার-প্রচরণায় বাধা প্রদান এবং নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করেছে নৌকা প্রতীকের সমর্থকেরা। গতকাল মঙ্গলবার ইউনিয়নের কাটাপোল গ্রামে ধানের শীষ অফিসে শীর্ষ সন্ত্রাসী সাখাওয়াত হোসেন ও আব্দুর রহিমের নেতৃতে আমার নেতাকর্মিদের বের করে দিয়ে তালা ঝুলানো এবং সন্ধ্যার পর অফিস ভাঙচুর ও নেতাকর্মিদের মারধর করে। এছাড়াও ভোটকেন্দ্র দখল, ভোট কারচুপির আশঙ্কাও করছেন তিনি। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী চশমা প্রতীকের সোহরাব বিশ্বাস নৌকা প্রতীকের সমর্থকদের উপর অভিযোগ তুলে বলেন তার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। ভোটার মাঝে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দিয়ে ভোটারদেরকে ভীতসনন্তস্ত্র করছে। এমনকি তার পোস্টার, ব্যানার ছিড়ে পেলা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। আর এসকল অভিযোগের কথা অস্বীকার করে আওয়ামী লীগের দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী রবি বিশ্বাস বলেন, আমি কাওকে হুমকি ধামকি কেন দেব আমি দীর্ঘদিন যাবত আওয়ামী লীগ দল করি। এলাকায় আমার একটি প্রভাব আছে তা ছাড়া দলীয় সভানেত্রী আমাকে যোগ্য প্রার্থী হিসাবে দলীয় প্রতীক নৌকা দিয়েছে আমি আশাবাদীনির্বাচনে অবশ্যই জয়লাভ করবো। এদিকে সরেজমিনে স্থানীয় জনগনের সাথে নির্বাচন সম্পর্কে কথা বললে তারা জানায়, সব প্রার্থীরাই তাদের কাছে ভোট চাইছে। তাদের কাছে যাকে যোগ্য মনে হয় তাকেই ভোট দেব কিন্তু নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকরা তাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় বড় ধরনের সহিংসতার সৃষ্টি হতে পারে বলে জানান তারা। অপরদিকে, প্রার্থীদের এ সকল অভিযোগের প্রেক্ষিতে জীবননগর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোতাওয়াক্কিনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। কেউ অভিযোগ দায়ের করলে তদন্ত সাপেক্ষে নির্বাচনী আচরণ বিধির পরীপন্থি বলে মনে হলে আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থ্য নেব।


কমেন্ট বক্স
notebook

সীমান্তে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির পৃথক অভিযানে ১৬ লক্ষাধিক টাকার মালামাল জব্দ