বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

আঞ্জুমান মফিদুলে নয়; পারিবারিকভাবেই দাফন করা হবে ফজলুল হককে

  • আপলোড তারিখঃ ০৭-০৩-২০১৮ ইং
আঞ্জুমান মফিদুলে নয়; পারিবারিকভাবেই দাফন করা হবে ফজলুল হককে
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পড়ে থাকার তিনদিনের মাথায় লাশ নিতে স্বজনদের ভিড় নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা রেলস্টেশন থেকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া অজ্ঞাত বৃদ্ধা ফজলুল হকের (৬০) পরিচয় পাওয়ার তিনদিন অতিবাহিতের পথে। গত সোমবার তার ২য় স্ত্রী আনোয়ারা বেগম লাশ সনাক্ত করলেও অর্থভাবে তা নিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। তার কাছ থেকে জানা যায় ফজলুল হক রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা সদরের মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এনা প্রোপার্টিজ’এ চাকুরি করতেন। বিগত ৪-৫দিন আগে ফজলুল হক বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তার লাশের সন্ধান মেলে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে। অর্থ ও লোকবল না থাকায় বেওয়ারিশ লাশ দাফনকারী সংস্থা আঞ্জুমানে মুফিদুল ইসলামের মাধ্যমেই প্রথমত দাফনের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু পরশু ও গতকাল মঙ্গলবার দু’দিন যাবত দৈনিক সময়ের সমীকরণ’এ প্রকাশিত সংবাদ দেখে লাশ নিতে ছুটে আসে ফজলুল হকের ১ম স্ত্রী মৃত মাহমুদা খাতুনের আত্মীয় স্বজন ও সন্তানেরা। ময়নাতদন্ত শেষে গতকালই লাশ হস্তান্তর করা হয় তার শ্যালক জহির উদ্দীন বাবু ও কাজী তাওহিদুল ইসলাম তানিমের নিকট। তবে স্বামীর লাশ ১ম পক্ষের পরিবারের নিকট হস্তান্তরে কোন আপত্তি ছিল না ২য় স্ত্রী আনোয়ারা বেগমের। এদিকে গতকাল মঙ্গলবার রাতে তার ছেলে উজ্জল ঢাকা থেকে ফেরার অপেক্ষায় দাফন করা সম্ভব হয়নি। আজ বুধবার সকাল ৭টায় মেহেরপুর বারাদীর মোমিনপুর গ্রামের কবরস্থান চত্ত্বরে জানাযা শেষে দাফনকার্য সম্পন্ন করা হবে। তার মৃত্যুতে কারো কোন অভিযোগ না থাকায় এ ব্যাপারে মামলা করা হয়নি বলে জানা যায়। ফজলুল হকের নিকটজনেরা জানায়, তিনি রাজশাহীর এক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করতেন। এ সময় মেহেরপুর বারাদীর মোমিনপুর গ্রামের মাহমুদা বেগমের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তার পরিবারে এক ছেলে উজ্জল ও তিন মেয়ে ফরিদা, চায়না ও বৃষ্টি রয়েছে। এ অবস্থায় বছর পনেরো আগে মাহমুদা বেগম মারা গেলে সকলের অজান্তে নাটোরের আনোয়ারা বেগমের সাথে ২য় বিবাহ করেন তিনি। তারপর থেকে রাজশাহীর একটি কলোণীতে বসবাস করতেন। তবে ১ম পক্ষের ছেলে মেয়ে ও আত্মীয় স্বজনদের সাথে ভালো সম্পর্ক ছিল তার। মৃত্যুর ৪-৫ দিন আগে রাজশাহীর ওই কলোনীর ভাড়া বাড়ি থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল এবং সকলের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল বলে জানা যায়। বৃদ্ধ ফজলুল হকের মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি কেউ। চিকিৎসকদের মতে ‘ফল্স পয়জন’র কারণে তার মৃত্যু হতে পারে। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত সুনিশ্চিত ভাবে কিছু বলা হচ্ছে না।


কমেন্ট বক্স
notebook

সীমান্তে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির পৃথক অভিযানে ১৬ লক্ষাধিক টাকার মালামাল জব্দ