শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

গুড়দাহে সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝি

অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
  • আপলোড তারিখঃ ০৬-১১-২০২৬ ইং
গুড়দাহে সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভুল বোঝাবুঝি

মহেশপুরের গুড়দাহ বাজার থেকে বটতলা বাজারে যাওয়ার পথে একটি গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ ও পরবর্তী হাতাহাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ডাকাতির’ অভিযোগে অপপ্রচারের দাবি করেছেন মো. আহাম্মেদ সাফিসহ আটজন। এ ঘটনায় প্রকাশিত একটি ভিডিওতে তাঁদের ‘ডাকাত ও ছিনতাইকারী’ হিসেবে উপস্থাপনের প্রতিবাদ জানিয়ে ভিডিওর বিভ্রান্তিকর বক্তব্য সংশোধন অথবা অপসারণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।


লিখিত বক্তব্যে মো. আহাম্মেদ সাফি জানান, গত ২ নভেম্বর সোমবার রাত ১০টার দিকে অনন্তপুর গ্রামের খলিল সাহেবের বাড়িতে দাওয়াত শেষে তাঁরা বাড়ি ফিরছিলেন। পথে গুড়দাহ বাজার থেকে বটতলা বাজারের দিকে যাওয়ার সময় মহেশপুর রেজিস্ট্রি অফিসের মুহুরি মো. সোহেল রানার গাড়ির সঙ্গে তাঁদের গাড়ির হ্যান্ডেলের সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের লোকজন গাড়ি থেকে পড়ে যান। পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।


বক্তব্যে আরও বলা হয়, ওই সময় সোহেল রানার পিঠে একটি ব্যাগ ছিল, যাতে জমিসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র ছিল বলে জানা যায়। জমি নিয়ে তাঁর দীর্ঘদিন ধরে একটি পক্ষের সঙ্গে আইনি বিরোধ চলছিল। একপর্যায়ে সোহেল রানা তাঁদের ছিনতাইকারী বলে চিৎকার করলে উপস্থিত লোকজন তাঁদের আটক করেন।


পরে দত্তনগর পুলিশ ফাঁড়ির তিনজন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরবর্তীতে মহেশপুর থানা পুলিশের কর্মকর্তারাও সেখানে যান। এরপর উভয় পক্ষকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য শোনা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাঁদের থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।


আহাম্মেদ সাফির অভিযোগ, ঘটনার ভিডিও ‘তুহিন খান ওরফে তুষার’ নামের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডি থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে তাঁদের বিরুদ্ধে ডাকাতির মতো গুরুতর অভিযোগ যুক্ত করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিকবার যোগাযোগ করে ভিডিওটি সংশোধন অথবা অপসারণের অনুরোধ জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তা করতে রাজি হননি। বরং ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে এবং প্রচুর ভিউ পেয়েছে বলে সেটি মুছে ফেলবেন না বলে জানিয়েছেন।


লিখিত বক্তব্যে তাঁরা বলেন, ঘটনার ভিডিও প্রকাশে তাঁদের আপত্তি নেই। তবে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া কাউকে ডাকাত বা ছিনতাইকারী হিসেবে উপস্থাপন করা আপত্তিকর ও মানহানিকর। তাঁদের দাবি, এটি মূলত একটি সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ভুল বোঝাবুঝি ও অনাকাঙ্ক্ষিত হাতাহাতির ঘটনা। একে পরিকল্পিত ডাকাতি বা ছিনতাই হিসেবে প্রচার করা ভিত্তিহীন।


এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা বন্ধ, প্রকাশিত ভিডিওর মানহানিকর বক্তব্য সংশোধন অথবা অপসারণ এবং প্রকৃত ঘটনা যাচাই না করে কাউকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন না করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রচারণা অব্যাহত থাকলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন।


পাশাপাশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি উভয় পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ এবং প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা। লিখিত বক্তব্যে স্বাক্ষরকারীরা হলেন- মো. আহাম্মেদ সাফি, সামাদ, প্রান্ত, নাইম, আকাশ, পথিক, লিমন ও ফারুক।



কমেন্ট বক্স
notebook

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর এবং রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান: সংহতি, সার্বভৌমত্ব ও নতুন বাংলাদেশের অভ্যুদয়