ঝিনাইদহ সদর উপজেলার করাতি পাড়া গ্রামে পরকীয়ার সন্দেহে সুচিত্রা বিশ্বাস নামের এক গৃহবধূকে মাথার চুল কেটে এবং শরীরে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত আন্না ওরফে টনি খাতুনকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার বিকেলে হরিণাকুণ্ডু উপজেলার কাপাশহাটিয়া গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ঝিনাইদহ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল। আন্না খাতুন একই এলাকার আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী। এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঝিনাইদহ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের উপপরিদর্শক (এসআই) আলী হোসেন।
পুলিশ জানায়, নিজের স্বামীর সঙ্গে পরকীয়ার সন্দেহে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্না খাতুন তাঁর দুই মেয়ে ওনি ও কোনি, ছেলে শুভ এবং প্রতিবেশী আব্দুর রশিদকে সঙ্গে নিয়ে সুচিত্রা বিশ্বাসের বাড়িতে চড়াও হন তারা। একপর্যায়ে তাঁরা সুচিত্রাকে বেধড়ক মারপিট করে কাঁচি দিয়ে মাথার চুল কেটে দেন এবং তার শরীরে মরিচের গুঁড়া মাখিয়ে দেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে তোলপাড় ও তীব্র জনক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার রাতেই ভুক্তভোগী সুচিত্রা বিশ্বাস বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান জানান, "মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর ছিল। ডিবি পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের সহায়তায় এজাহারনামীয় প্রধান অভিযুক্ত আন্না খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত অপর ৪ আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।
ঝিনাইদহ অফিস