জীবননগর উপজেলার মাধবখালী গ্রামে গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় একে অপরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করেছেন। এসব মামলায় ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন- এমন আত্মীয়-স্বজনদেরও আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে ভুক্তভোগীরা তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মে মাধবখালী গ্রামের তেতুল মণ্ডলের ছেলে জমির উদ্দিনের বাড়ির একটি মেহগনি গাছের ডাল পাশের বাড়িতে চলে যায়। ডাল কেটে নেওয়াকে কেন্দ্র করে হাজী বিশ্বাসের ঘরজামাই আবুল হোসেন ও জমির উদ্দিনের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের পাঁচজন আহত হন। আহতরা হলেন- জমির উদ্দিন (৬০), তার ছেলে রাসেল (১৬), আবুল হোসেন (৬২), তার স্ত্রী রওশনারা খাতুন (৪০) এবং সুমন (২৮)।
ঘটনার পর ১৬ মে পারুল খাতুন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। অন্যদিকে আবুল হোসেন ও তার স্ত্রীও পৃথক মামলা করেন। অভিযোগ রয়েছে, এসব মামলায় ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন- এমন কয়েকজন আত্মীয়-স্বজনকেও আসামি করা হয়েছে।
আনিছুর রহমানের পরিবারের দাবি, ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এরপরও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করায় তারা ক্ষুব্ধ এবং মামলার তদন্ত করে প্রকৃত নির্দোষদের অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। মামলার সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ থাকা আক্তার হোসেন ও মাসুদ রানা বলেন, ঘটনার বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।
এ বিষয়ে কয়েকজন গ্রামবাসী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মারামারির ঘটনা ঘটলেও পরে একে অপরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে উদ্ঘাটন হওয়া উচিত। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, অভিযোগগুলো তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক