মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

মুজিবনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ডের বাথরুম অচল

ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজনরা, বাড়ছে ক্ষোভ
  • আপলোড তারিখঃ ০৭-০৭-২০২৬ ইং
মুজিবনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ডের বাথরুম অচল

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে ওয়ার্ডের বাথরুমগুলো অচল থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনরা। উপজেলার সাধারণ মানুষের একমাত্র সরকারি চিকিৎসাসেবার এই প্রতিষ্ঠানে মৌলিক সেবার এমন সংকটে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।


সরেজমিনে দেখা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পূর্ব পাশের ওয়ার্ড ভবনের নিচতলা থেকে শুরু করে চারতলা পর্যন্ত প্রায় সব বাথরুমই দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে আছে। দীর্ঘ সময় সংস্কার না হওয়ায় কিছু স্থানে বাথরুমের ভেতরেই বটগাছের চারা গজিয়ে উঠেছে, যা অব্যবস্থাপনার চিত্র আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।


ভর্তি রোগীরা জানান, বাথরুম ব্যবহার করতে না পেরে তাদের অন্য সাইডের বাথরুমে যেতে হচ্ছে। অসুস্থ রোগীদের জন্য এটি অত্যন্ত কষ্টকর এবং বিব্রতকর। দ্রুত বাথরুমগুলো সংস্কারের দাবি জানান তারা।


এ বিষয়ে মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রশিদ বলেন, মুজিবনগর উপজেলার মানুষের একমাত্র সরকারি চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে এমন অব্যবস্থা অত্যন্ত দুঃখজনক। রোগীরা চিকিৎসা নিতে এসে বাথরুমের মতো মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এছাড়া হাসপাতালে রোগীদের সেবার জন্য থাকা জেনারেটরটিও দীর্ঘদিন ধরে বিকল অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত বাথরুম সংস্কার এবং জেনারেটরটি সচল করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।


এ বিষয়ে মুজিবনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ছোটখাটো সমস্যা হলে আমরা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় মেরামত করি। কিন্তু এটি পুরো লাইনের সমস্যা হওয়ায় স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর একজন ঠিকাদার নিয়োগ করেছে। তবে কী কারণে এখনো কাজ শুরু হয়নি, তা আমার জানা নেই। দ্রুত কাজ শুরুর জন্য আমি আবারও চিঠি দিয়েছি। কাজ শুরু না হওয়ায় সাধারণ রোগীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।’


তিনি আরও জানান, রোগীদের সাময়িক সুবিধার জন্য অন্য পাশের বাথরুমগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে এবং একটি কেবিন খালি রাখা হয়েছে, যাতে প্রয়োজনে রোগীরা সেটি ব্যবহার করতে পারেন। একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতি দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করার আহ্বান জানান।



কমেন্ট বক্স
notebook

মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযান