আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি 'জাতীয় শহিদ সেনা দিবস'। ১৭ বছর আগে এই দিনে তৎকালীন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি) সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানায় বিদ্রোহের নামে সংঘটিত ঘটনায় ৫৭সেনা কর্মকর্তা বর্বোরচিত ও নির্মম হত্যার শিকার হন। সব মিলিয়ে ওই ঘটনায় ৭৪ জন নিহত হয়েছেন। দেশের ইতিহাসে এটি অন্যতম মর্মান্তিক ও নৃশংস ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। এই হত্যকাণ্ডের দায়ের করা মামলায় প্রথমবারের মতো আসামি হতে যাচ্ছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলো দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছে। নতুন করে আলোচনায় এসেছে- এই মামলায় প্রথমবারের মতো তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আসামি করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিস্ফোরক মামলার চিফ প্রসিকিউটর বোরহান উদ্দিন জানিয়েছেন, মামলার সাক্ষীদের জবানবন্দিতে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে শেখ হাসিনা, শেখ তাপস, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ তৎকালীন বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতার নাম এসেছে। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দাখিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় মোট আসামি প্রায় ৮০০ জন। ১২০০ সাক্ষীর মধ্যে বর্তমানে ৩০০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের জবানবন্দিতে শেখ হাসিনাসহ কয়েকজনের জড়িত থাকার তথ্য উঠে এসেছে। পিলখানা হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়া এখনও চলছে। বিচারিক আদালত ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর এই মামলায় ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়। হাইকোর্ট ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন, ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন। মামলায় ২৮৩ জন খালাস পান। বর্তমানে মামলা সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে এবং বিস্ফোরক মামলার প্রক্রিয়া জটিলতায় রয়েছে। বিডিআর বিদ্রোহে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি: বিডিআর (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) বিদ্রোহে শহিদদের কবরে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আজ বুধবার রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। এ বিষয়ে সোমবার রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রটোকল উইং থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় সেনা শহিদ দিবস উপলক্ষে সকাল ১০টায় রাষ্ট্রপতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। বিডিআর সদস্যদের আত্মত্যাগের প্রতি রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে শ্রদ্ধা জানাতে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য-প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহিদ সেনা দিবস উপলক্ষ্যে গতকাল মঙ্গলবার দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, "২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ যেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিলো। হত্যাযজ্ঞে ৫৭জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদ হয়েছিলো। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদযুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি 'শহীদ যেনা দিবস' হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহিদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি। হত্যাকান্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার জব নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিলো- নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকাণ্ডের পর নানা রকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে অনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।' তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ধড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে আজ পনরায়। * পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এন, 'দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যে কোনো ভড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবো- এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়। বিডিআর হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠন করবে সরকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ২০০৯ সালে রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর হত্যাকাণ্ড পুনঃতদন্তের জন্য সরকার একটি কমিশন গঠন করবে। মন্ত্রী গত সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুনরায় কমিশন গঠন করে সেগুলো পুষ্পানুপুঙ্খভাবে দেখে সেই কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী এর বিচার করা হবে। তিনি আরও বলেন, এটা আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারেও আছে। আমরা যেকোনো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পিলখানা ট্র্যাজেডির রহস্য উদ্ঘাটন ও দোষীদের শাস্তি দাবি করেছেন গোলাম পরওয়ার: পিলখানায় সেনাহত্যার 'প্রকৃত রহস্য' উদ্ল্যাটন করে দোষীদের শান্তি নিশ্চিত নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেস মিয়া গোলাম পরওয়ার। গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ দাবি জানিয়েছেন তিনি বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, 'সমঝোতার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় পরিকল্পিতভাবে ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জনকে মর্মান্তিকভাবে হত্যা করে। আমরা নিহতদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ। স্মরণ করছি ছি ও তাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। সেই সঙ্গে তাদের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।' তিনি বলেন, 'ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে হত্যা করে মূলত দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলার ষড়যন্ত্র করে। স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকার এই দুঃখজনক ও মর্মান্তিক ঘটনায় অনেক নিরীহ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে বিচারের নামে প্রহসনের আয়োজন করে। তাদের বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দিয়ে কারাগারে আটক রাখে। অনেকে নির্দোষ প্রমাণিত হলেও ফ্যাসিস্ট সরকারের ষড়যন্ত্রের কারণে তাদের মুক্তি মেলেনি।' তিনি আরও বলেন, '২৪-এর আগস্টে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচারের পতন ঘটে। দেশ আজ স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্তিলাভকরেছে। নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। জনগণ ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি সেনা হত্যায় নির্মম ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে চায়। আমরা বর্তমান সরকারের নিকট দেশপ্রেমিক সব সেনা হত্যার 'প্রকৃত রহস্য' উচ্চাটন করে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানু আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানাচ্ছি।' আমায়াতের এ নেতা বলেন, 'যেসব নিরীহ-নির-পরান ব্যক্তি কারাগারে আটক আছেন তাদের অবিলম্বে মুক্তি এবং আয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে জোর দাখি তদন্ত কমিশন গঠন। বিডিআর বিদ্রোহের ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর গত বছর অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করে। সরকারের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কমিশন অব ইনকোয়ারি অ্যাক্ট ১৯৫৬-এর অধীনে মেজয় জেনারেল আলম ফজলুর রহমানকে (অবসরপ্রাপ্ত) সভাপতি করে 'পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত বর্বরতম হত্যাযজ্ঞের' বিষয়ে 'জাতীয় স্বাধীন ভদন্ত কমিশন' গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিশন তাদের তদন্তে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য দফায় দফায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশের ৭ দিনের মধ্যে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য তাদের সময়সূচি ফোন, ই-মেইল বা চিঠির মাধ্যমে কমিশনকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা। করা হয়। এই তদন্ত কমিশন তাদের কাছে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। তালিকায় শেখ হাসিনার উপদেষ্টাসহ ভার সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী, সাবেক সংসদ সদস্য, পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও কয়েকজন সাংবাদিকের নাম রয়েছে। তবে এই তালিকায় নাম থাকা সাবেক মন্ত্রী-সংসদ সদস্যদের অনেকেই পলাতক বা নিরুদ্দেশ আছেন। ওই সময়ে এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের প্রধান ফজলুর রহম জানিয়েছিলেন, তাদের কমিশন কর্মপরিধি ঠিক করেছে। এগুলো হলো- পিলখানায় সংঘটিত ঘটনার স্বরূপ উষ্মাটন, ঘটনাকানে সংঘটিত হত্যাকায় ও অন্যান্য অপরাধে জড়িত, সহায়তাকারী, ধড়যন্ত্রকারী, ঘটনার আলামত ধ্বংসকারী, ইওনদাতা এবং ঘটনা সংশ্লিষ্ট অপরাপর বিষয়সহ দেশি বিদেশি-সংশ্লিষ্ট অপরাধী ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, বিভাগ, সংগঠন ইত্যাদি চিহ্নিতকরণ। এছাড়া হত্যাকাণ্ডসহ সংঘটিত অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিতকরণ। জাতীয় শহীদ সেনা সেনা দিবস আজ: আজ ২৫ ফেব্রুণ্যারি 'জাতীয় শহিদ সেনা দিবস'। ১৭ বছর আগে ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি) সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানায় বিদ্রোহের নামে বিডিআরের তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা বর্বোরচিত ও নির্মম হত্যার শিকার হন। সব মিলিয়ে ওই ঘটনায় ৭৪ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে, ২৫ ফেব্রুয়ারিকে 'জাতার শা ফব্রুয়ারিকে 'জাতীয় শহিদ সেমা দিবস' ঘোষণা করে উর্তীকালীন সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক পরিপত্রের ঘোষণা দেওয়া হয়। পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকার প্রতিবছর ২৫ ফেব্রুয়ারিকে 'জাতীয় শহিদ সেনা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং রাই 'জাতীয় শহিদ সেনা দিবস' (সরকারি ছুটি ব্যতীত) পালনের জন্য 'গ' শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্তকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে অনুরোধ করা হয়েছে। বহুল আলোচিত পিলখানা ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি। হয়। এর মধ্যে হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের নের বিচার শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। দেশের বিচারিক ইতিহানে কোন মামলায় বহু আসামি নিয়ে এটিই একমাত্র মামলা। রাজধানীর পুরান ঢাকায় আলীয়া দ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে হত্যা মামলাটির বিচার সম্পন্ন হয়। বিচারিক আদালত ওই মামলায় ১৫২ জনের ফাঁসি, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদও প্রদান করে। খালাস পান ২৭৮ জন। ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর সেই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ও হয়ে যায় হাইকোর্টে। তিন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত একটি লার্জার বেঞ্চে হাইকোর্টে মামলায় ডেগ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর রায় হয়। উচ্চ আদালতের রায়ে ১৩৯ আসামির ফাঁসির রায় বহাল রাখা হয়। যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয় ১৮৫ জনকে ২২৮ জনকে দেওয়া হয় বিভিন্ন মেয়াদে সাজা। খালাস পান ২৮৩ জন।
সমীকরণ প্রতিবেদন