মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ স্থানীয় সংবাদ জাতীয় রাজনীতি আর্ন্তজাতিক সারাদেশ অর্থনীতি খেলা বিনোদন আজকের পত্রিকা প্রযুক্তি চাকরি

চুয়াডাঙ্গায় ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

  • আপলোড তারিখঃ ০২-০৪-২০২২ ইং
চুয়াডাঙ্গায় ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক:
চুয়াডাঙ্গায় বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অনিয়মের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুর একটার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল সড়কে পাঁচটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলাম। অভিযানে বিভিন্ন অনিয়ম পেয়ে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও একটি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযান পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলি হলো- চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল এলাকার ইউনাইটেড ক্লিনিক, একতা ক্লিনিক, দেশ ক্লিনিক, মদিনা ক্লিনিক ও আব্দুল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

এদিকে, হাসপাতাল সড়কে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনার বিষয়ে টের পেয়ে বিভিন্ন ফার্মেসি ও ডায়াগনস্টিত সেন্টার মালিক দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে সটকে পড়েন। বিভিন্ন ঘটনায় আলোচিত গ্রীণ লাইফ মেডিকেল সেন্টার কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিষ্ঠানের ভেতরে রোগী রেখেই বাইরে থেকে তালাবন্ধ করে দেয়। এসময় গ্রীণ লাইফ মেডিকেল সেন্টারের মধ্যে আটকে পড়েন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে আসা ১৫-২০ জন রোগী ও তাদের স্বজন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের পরে মেডিকেল সেন্টারটির কর্তৃপক্ষ পুনরায় তাদের প্রতিষ্ঠান চালু করে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল সড়কে বেশ কিছু ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালিত হয়ে আসছে। এসকল ক্লিনিক ও ডাাগনস্টিক সেন্টারে বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ প্যাথলজিক্যাল কেমিক্যাল সংরক্ষণ করার অপরাধে আব্দুল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিককে ৫ হাজার টাকা ও মদিনা ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারের ফ্রিজে মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন রাখার অপরাধে প্রতিষ্ঠান মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গায় গড়ে ওঠা বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অনেক অভিযোগ রয়েছে। প্রথম দিনে এ সকল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। দুটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলিকে লাইসেন্সের ও সরকারি নীতিমালাগুলো পালনে ১৫দিন সময় দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে এসকল প্রতিষ্ঠানে আবারও অভিযান পরিচালনা করা হবে। সমস্যাগুলি সংশোধণ না করলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও যে সকল প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধ ছিল সে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নোট করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা সহযোগিতায় ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. তারেক জুনায়েদ ও সদর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল।



কমেন্ট বক্স
notebook

তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল সাক্ষরতার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী