নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরকারের সাবেক সচিব ও ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের সরকারি ক্রয় বিশেষজ্ঞ (কনসালটেন্ট) মো. ফারুক হোসেনের সাথে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা করেন। সভায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি ভূমি ব্যববস্থাপনা নিয়ে সরকারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ভূমি ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে নেওয়া অটোমেশন প্রক্রিয়ার সঙ্গে ভূমির নামজারি, মালিকানা, রেকর্ড, খাজনা পরিশোধ, ভূমি জরিপের বিষয়সমূহ ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রমের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ব্যবসা সহজীকরণে সম্পত্তি নিবন্ধন সূচকের ইতিবাচক ও দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জিত হবে। এ পদ্ধতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতঃমধ্যে অনলাইনে খতিয়ান সরবরাহ, ই-নামজারি ও ই-সেটেলমেন্ট কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ডিজিটাল ল্যান্ড ডাটা ব্যাংক এবং ল্যান্ড জোনিং কার্যক্রমও হাতে নেওয়া হয়েছে। ভূমি ব্যবহার আধুনিকায়নে ডিজিটাল জরিপ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ খাতে সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দও রেখেছে। আপনাদের দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ভূমি সেবা মানুষের হাতের মুঠোয় পৌঁছে দিতে কাজ করছে বর্তমান সরকার। রেকর্ডরুম অটোমেশনের ফলে খুব সহজেই জমির পর্চা পাচ্ছে জনগণ। ভূমি সেবা অটোমেশনের স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘের পুরস্কার অর্জন করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। জমির মিউটেশন শতভাগ অনলাইনে করার প্রক্রিয়া চলমান। এক লাখ ৪০ হাজার মৌজাশিট ডিজিটালাইজেশন করা হচ্ছে। তিন ধরণের স্যাটেলাইট ইমেজ সংগ্রহের মাধ্যমে ডিজিটাল ল্যান্ড সার্ভে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে সকল ভূমি সেবা অটোমেশনের আওতায় আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত রহমান, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শামিম ভূঁইয়া, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রনি আলম নূর, জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম রাসেল, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিএম তারিক-উজ জামান, ভূপালী সরকার, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর জাকির হোসেন প্রমুখ।
সমীকরণ প্রতিবেদন