নিজস্ব প্রতিবেদক:
সুন্দর প্যাকেটে বিএসটিআইয়ের লোগোসহ নিউট্রিশন ফ্যাক্টস লেখা আছে। অথচ তাদের বিএসটিআইয়ের সনদই নেই, লিখিত নিউট্রিশন ফ্যাক্টেরও নেই কোন টেস্ট রিপোর্ট। প্যাকেটে এসব মিথ্যা বিজ্ঞাপন দেখে সাধারণ মানুষ মুড়ি কিনে হচ্ছেন প্রতারিত। এমনই এক প্রতারক মুড়ি বিক্রতাকে এবার ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। রোববার চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সজল আহমেদ আলমডাঙ্গার আনন্দধাম রোডে মেসার্স ডি. কে ট্রেডার্সের মালিককে এ জরিমানা করেন।
জানাগেছে, ডি.কে ট্রেডার্স পদ্মফুল মুড়ি নামে মুড়ি উৎপাদন করছিলো। অথচ, প্যাকেটে দেওয়া হয়নি উৎপাদন মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ ও মুল্য। ফলে মুড়ির মেয়াদ আছে নাকি মেয়াদ উত্তীর্ণ বা দোকানি মুল্য বেশি নিয়েছে কিনা ক্রেতাদের তা বোঝার উপায় নেই।
চুয়াডাঙ্গা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সজল আহমেদ জানান, 'প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত মুড়িতে বিএসটিআইয়ের লোগোসহ নিউট্রিশন ফ্যাক্টস লেখা ছিলো। অথচ তাদের বিএসটিআইয়ের সনদই নেই। লিখিত নিউট্রিশন ফ্যাক্টেরও কোন টেস্ট রিপোর্ট নেই। প্রতিষ্ঠানটিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৩৭ ও ৪৪ ধারায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং গোডাউনে মজুদকৃত মুড়িসহ বাজারজাতকৃত মুড়ি দোকান থেকে তুলে এনে মিথ্যা বিজ্ঞাপন মুছে মেয়াদ, মুল্য ইত্যাদি লিখে বাজারজাত করা ও লাইসেন্স না পাওয়া পর্যন্ত মুড়ির উৎপাদন করবেনা মর্মে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়।' অভিযানে সহযোগিতায় ছিলেন আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের একটি টিম।
সমীকরণ প্রতিবেদন