নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভারতীয় বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশন, মদ, তাঁড়ি ও রেকটিফাইড স্পিরিটসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা ও দর্শনা থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। আটককৃতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলার তেঁতুলতলা পাড়ার মৃত শহীদ হোসেনের ছেলে হাসিদ মণ্ডল (৪০), দর্শনা থানার আকন্দবাড়িয়া ফার্মপাড়ার মৃত শুকুর আলীর ছেলে আজিজুল হক (৬৫) ও একই এলাকার মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে নাজিম উদ্দিন (৫২)। এ ঘটনায় আকন্দবাড়িয়া ফার্মপাড়ার গোলাম রহমানের ছেলে জসিম উদ্দিন (৩৫) পালিয়ে যান। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, গতকাল বেলা সাড়ে তিনটার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিএম তারিক উজ জ্জামানের নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপ-পরিদর্শক আকবর হোসেন, সাহার ইয়াসমিন ও সহকারী উপ-পরিদর্শক সৈয়দ মনিরুজ্জামান ফোর্স নিয়ে তালতলা তেঁতুলতলা পাড়ার হাসিদ মণ্ডলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১৫০ অ্যাম্পুল ভারতীয় বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ তাঁকে আটক করেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলাসহ তাঁকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
অপর দিকে, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিএম তারিক উজ জ্জামানের নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একই অভিযানিক টিম আজিজুল হকের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২ লিটার অ্যালকোহলযুক্ত মদসহ তাঁকে আটক করেন। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নাজিম উদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২০ লিটার তাড়িসহ তাঁকে আটক করে। পরে সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে জসিম উদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২০ লিটার রেকটিপাইড স্পিরিট উদ্ধার করে। এ সময় জসিম উদ্দিন পালিয়ে যায়। পরে নির্বানী ম্যাজিস্ট্রেট বিএম তারিক উজ জ্জামান ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আজিজুল হককে ৭ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ শ টাকা জরিমানা, নাজিম উদ্দিনকে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ শ টাকা জরিমানা এবং পলাতক জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সমীকরণ প্রতিবেদন