আলমডাঙ্গা অফিস:
আলমডাঙ্গার নাগদাহ ইউনিয়নের ভেদামারী গ্রামের মনিরুজ্জামান মনির বিরুদ্ধে এক ব্যক্তির কাছ থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকা পাওনা করে জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই ব্যক্তি আদালতে মামলা দায়ের করায় মনিরুজ্জামান মনির তাঁকে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নাগদাহ ইউনিয়নের বারোঘরিয়া গ্রামের মুনছুর আলীর ছেলে ওহিদুল ইসলাম। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নিজ গ্রামে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০১০ সালের ৪ নভেম্বর তিনি বারোঘরিয়া গ্রামের আব্দুল বারি গংয়ের কাছ থেকে ঘোলদাঁড়ি বাজারে ৯ শতক জমি দলিলমূলে ক্রয় করেন। তিন বছর আগে ওই জমি থেকে সাড়ে ৪ শতক জমি তিনি ভেদামারী গ্রামের মৃত আকমান মোল্লার ছেলে মনিরুজ্জামান মনির কাছে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। মনিরুজ্জামান মনি ওই জমি ভূমি অফিসে নাম পত্তন করতে গেলে জটিলতার কারণে সমস্যার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে দলিল বাতিল হয়ে যায়। ওহিদুল ইসলাম টাকা নিয়েও জমি বিক্রি করতে না পারায় ৩ মাস পর মূল মালিকদের কাছে থেকে পুনরায় সাড়ে ৪ শতক জমি মনিরুজ্জামানকে রেজিস্ট্রি করে দেন। জমি রেজিস্ট্রি করে নেওয়ার পরও মনিরুজ্জামান তাদের কাছে টাকা পাবে দাবি করে নানা টালবাহানা শুরু করে। গত ২০ দিন আগে তিনি সালিশ সভার কথা বলে ওহিদুল ইসলামকে ডেকে নিয়ে গিয়ে সুদে-আসলে সাড়ে ৮ লাখ টাকা পাবে দাবি করে জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে টিপ সহি নেওয়ার ঘটনায় ওহিদুল ইসলাম আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এমতাবস্থায় মনিরুজ্জামান মনির তাকে নানাভাবে হয়রানি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে দাবি করে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে বিচার প্রার্থনা করেছেন ভুক্তভোগী ওহিদুল ইসলাম।
সমীকরণ প্রতিবেদন