চুয়াডাঙ্গায় তাড়ি খেয়ে মাতাল অবস্থায় মোটরসাইকেল চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হাড়িয়ে উল্টে যেয়ে দুই যুবক গুরুতর জখম হয়েছেন। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে চুয়াডাঙ্গা ফাস্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটির অদূরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা আহত দুজনক উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। এসময় জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক আহতদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করেন। আহতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাজরাহাটি মাঠপাড়ার মতিয়ার রহমানের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন (২৫) ও একই এলাকার আজিজুর রহমানের ছেলে মিকাইল হোসেন (২৩)।
জানা যায়, গতকাল বিকেলে জাহাঙ্গীর ও তার চাচাত ভাই মিকাইল হোসেন মোটরসাইকেলযোগে চুয়াডাঙ্গায় কুলচাড়া মাঠের মধ্যে তাড়ি খাওয়ার জন্য যায়। তাড়ি খেয়ে মাতাল অবস্থায় একই মোটরসাইকেলযোগে হাজরাহাটি গ্রামের দিকে যাচ্ছিল তারা। পথের মধ্যে চুয়াডাঙ্গা ফাস্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটির সামনে পৌঁছালে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হাড়িয়ে ব্রেক করে চালক জাহাঙ্গীর। এসময় মোটরসাইকেলটি উল্টে যেয়ে রাস্তার ওপর আছড়ে পরে জাহাঙ্গীর ও মিকাইল দুজনেই। এতে দুজনেই গুরুতর জখম হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় ব্যাক্তিরা ছুটে যেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করেন। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক জাহাঙ্গীরের দুই পা ভেঙে গেছে, মুখ তুবরে পড়ায় মুখের সামনের শারীর সবগুলো দাথ ভেঙে যাওয়াসহ গুরুতর জখম হয় মিকাইল। জরুরি বিভাগ থেকে চিকিৎসা দিয়ে দুজনকেই হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি রাখেন চিকিৎসক।
জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাইদুজ্জামান বলেন, ‘সন্ধ্যার দিকে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত দুজনকে জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। দুজনেই মাতাল অবস্থায় ছিল। তাড়িঁ পান করে মোটরসাইকেল চালানোর কথা তারা নিজেরায় স্বীকার করে। দুজনের শরীরের বিভিন্নস্থানে কাটা ছেলাসহ গুরুতর জখমের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়াও জাহাঙ্গীরে দুই পা ভেঙে গেছে, অপর মোটরসাইকেল আরোহী মিকাইলের মুখের সামনের দিকের সবকটি দাত ভেঙে গেছে। দুজনকেই তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।’
সমীকরণ প্রতিবেদন